Friday, September 18, 2026
Home "ধারাবাহিক গল্প ভুলবশত প্রেম ভুলবশত প্রেম পর্ব-১৮

ভুলবশত প্রেম পর্ব-১৮

0
2152

#ভুলবশত_প্রেম
#লেখনীতে:সারা মেহেক

১৮

ঠোঁটের কোনে দুষ্টুময় চাপা হাসি এঁটে আদ্রিশ আমার পিছে দাঁড়িয়ে আছেন। উনার এ হাসি আমার সমস্ত শরীরে কাঁটার ন্যায় বিঁধলো। ফলে আমি উনার দিকে ক্রোধান্বিত চাহনিতে কিয়ৎক্ষণ চেয়ে রইলাম। কিন্তু আদ্রিশের ভাবভঙ্গির কোনোরূপ পরিবর্তন হলো না। বরং উনি আমার এহেন চাহনি উপেক্ষা করে ঠোঁটের কোনে পূর্বের ন্যায় হাসি বজায় রাখলেন। আমি কিছু বলতে নিলেই আদ্রিশ বিস্মিত হবার ভান করে বললেন,
” হায় হায় মিশমিশ! এতো সুন্দর শোপিসটা ভেঙে ফেললে তুমি!”

আদ্রিশের কথা শোনামাত্র রাগে আমার সমস্ত শরীর রি রি করতে লাগলো। আমি এক প্রকার চেঁচিয়ে উনাকে বলে উঠলাম,
” আপনি ইচ্ছা করেই এমন করেছেন ঠিক না?”

আদ্রিশ অবুঝ হবার ভান করে বললেন,
” আমি কি করলাম বলো তো? আমি তো নাফিসা ভাবীকে ডেকেছিলাম। কে জানতো তুমি রুমে আছো আর আমার ডাকেই ভয় পেয়ে যাবে তুমি!”

” আচ্ছা? আপুকে ডাকছেন, ভালো কথা। তাই বলে এতো জোরে এবং আচমকা ডাকবেন না কি! আপনি ইচ্ছা করেই এমন করেছেন। এখন এই শোপিস ভাঙার সব দায় দায়িত্ব আপনার উপর। আপনিই ভেঙেছেন এটা।”

আদ্রিশ কিছু বলতে নিলেই আপু হুড়োহুড়ি করে রুমে ঢুকে পড়লো। আপুর মুখশ্রীতে চিন্তা এবং আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। আপু দ্রুত পায়ে এসে আমার এবং আদ্রিশের পাশে দাঁড়িয়ে পড়লো। ভাঙা শোপিসটির দিকে এক নজর চেয়ে আমার উদ্দেশ্যে চিন্তিত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো,
” মিম? তুই ঠিক আছিস তো? কাঁচ টাচ বিঁধেনি তো?”

আমি তৎক্ষনাৎ আদ্রিশের দিকে রাগত দৃষ্টিতে চেয়ে আপুকে বললাম,
” না আপু৷ আমি একদম ঠিক আছি। ”

আপু পুনরায় জিজ্ঞেস করলো,
” এটা ভাঙলো কি করে?”

আমি সাথে সাথে আদ্রিশের দিকে আঙুল তাক করে বললাম,
” উনি ভেঙেছেন।”

আমার কথা শোনামাত্র আদ্রিশ ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলেন। কিয়ৎক্ষণ আমার দিকে নির্বাক চাহনিতে চেয়ে প্রতিরক্ষামূলক গলায় আপুকে বললেন,
” বিশ্বাস করুন ভাবী। আমি মোটেও এটা ভাঙিনি। আপনার বোন যে এতো বড় মিথ্যাবাদী এটা জানা ছিলো না আমার। ”

উনার কথার প্রতিক্রিয়া স্বরূপ আমি ঝেঁঝে উঠা গলায় বললাম,
” আপনি পিছন থেকে ওভাবে আপুকে ডাক দিয়েছিলেন কেনো? আচমকা কাউকে ওভাবে ডাকলে তো সে ভয় পাবেই। এটাই স্বাভাবিক। আপনি আমাকে…….”

আমার কথা শেষ হবার পূর্বেই আপু আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললো,
” ব্যস ব্যস, হয়েছে। আমি এতো সাফাই শুনতে চাইনি। আর না তোমাদের ঝগড়া দেখতে চেয়েছি।”

আপুর কথা শেষ হওয়া মাত্রই আমি কিয়ৎক্ষণ আদ্রিশের দিকে রাগত দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম। এ মুহূর্তে উনার কাজকর্ম দেখে আমার মন চাইছে উনার মাথার প্রতিটা চুল টেনে টেনে ছিঁড়ি৷ এতে যদি মনে শান্তি পাওয়া যায়! এদিকে আদ্রিশ আমার দিকে এমন চাহনিতে চেয়ে আছেন যে মনে হচ্ছে উনি আমার এহেন পরিস্থিতি দেখে বেশ আনন্দ নিচ্ছেন। উনার এহেন চাহনির ফলস্বরূপ আমি উনার উদ্দেশ্যে ফোড়ন কেটে আপুকে জিজ্ঞেস করলাম,
” আপু? এই লোকটা এখানে পড়ে থাকে না কি সারাদিন? নিজের বাড়িঘর নেই না কি?”

আমার কথা শুনেই আপু বিস্মিত চাহনিতে কিয়ৎক্ষণ আমার দিকে চেয়ে রইলো। অতঃপর আমার বাহুতে সবেগে মেরে বিপন্ন গলায় বললো,
” ছিঃ মিম! এসব কি বলছিস তুই? কার সাথে কেমন ব্যবহার করতে হয় তা দেখি বেমালুম ভুলে বসেছিস তুই! ইমাদকে বলি, তোকে যেনো এক্ষুনি বাসায় রেখে আসেন। কত্ত বড় বেয়াদব হয়েছিস তুই!”
এই বলে আপু আদ্রিশের দিকে চেয়ে কোমল ক্ষমাপ্রার্থী কণ্ঠে বললো,
” কিছু মনে করো না আদ্রিশ। ও আসলে এমন না। এই……”

আপুকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে আদ্রিশ আমার দিকে চেয়ে অত্যুজ্জ্বল হাসি দিয়ে বললেন,
” ও কেমন আমি জানি ভাবী। এতো ফর্মাল হবার দরকার নেই আমার সাথে। ছোট মানুষ, একটু আধটু উল্টাপাল্টা কথা বলতেই পারে। সব কথা কি আর মনে নিতে হয় না কি!”

আদ্রিশের কথা শোনামাত্র বিস্ময়ে আমার চোখজোড়া বড় বড় হয়ে এলো। আমায় ছোট বলে যে উনি পরিপূর্ণভাবে আমায় অপমান করে বসলেন তা আর বুঝতে বাকি রইলো না আমার। আপাতত পরিস্থিতির শিকার হয়ে উনাকে কিছু বলতে পারলাম না আমি। বরং চুপচাপ দাঁড়িয়ে রয়ে কটমট দৃষ্টিতে উনার দিকে চেয়ে রইলাম। এদিকে আমার এ চাহনিতে আদ্রিশ ঠোঁটের কোনে চাপা হাসি বজায় রেখে দাঁড়িয়ে রইলেন। যেনো উনি এসবে ভীষণ মজা পাচ্ছেন। আর আমি নিরুপায় হয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রইলাম।

কিছুক্ষণের মাঝেই আপু একজন সার্ভেন্টকে ডেকে ভাঙা কাঁচগুলো পরিষ্কার করতে বললো। রুমে সার্ভেন্ট আসায় আমি রুমের এক কোনায় গিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম। আদ্রিশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রয়ে অতঃপর চলে গেলেন। উনি চলে যেতেই আপু আলমারি হতে একটি শাল বের করে নিজের শরীরে জড়িয়ে নিতে নিতে আমাকে বললো,
” সোয়েটার পরে গায়ে শাল জড়িয়েনে। ছাদে বেশ ঠাণ্ডা লাগবে।”

আমি চোখজোড়া কুঁচকে জিজ্ঞেস করলাম,
” এতো রাতে ছাদে কেনো আপু?”

” এতো রাত কোথায় দেখলি? মাত্র সাড়ে নয়টা বাজে। ছাদে আমরা সবাই একসাথে একটু গল্পগুজব করবো। এই আর কি। আব্বু, আম্মুও থাকবে কিন্তু। ”

” বাহ! তোর শ্বশুর শ্বাশুড়ী তো বেশ ফ্রি মাইন্ডের রে আপু!”

আপু আমার গাল টেনে মুচকি হেসে বললো,
” এখনও তো কিছু দেখলি না তুই। সাতদিন থেকে দেখ, তারপর বলিস, তারা কেমন ফ্রি মাইন্ডের।”

আপুর কথায় আমি মৃদু হেসে সোয়েটার পরে গায়ে শাল জড়িয়ে নিলাম। আপুকে জিজ্ঞেস করলাম,
” আপু? তোর ননদ কুহু কোথায়?”

” কুহু ওদের নানুবাড়ি গিয়েছে। কাল পরশুর মধ্যেই হয়তো চলে আসবে। ”

” আর জেবা ভাবীরা কোথায়?”

” জেবা ভাবী আর ইমতিয়াজ ভাইয়া তাদের মেয়েকে নিয়ে জেবা ভাবীদের বাড়ি গিয়েছিলো। ভাবীর বাবা একটু অসুস্থ ছিলো বিধায় দেখতে গিয়েছিলো। ”

” আচ্ছা….. ইমতিয়াজ ভাইয়া আর তাদের মেয়ের সাথে তো দেখাই হলো না আমার। শুধু তোর মুখে নামই শুনলাম।”

” আজকে দেখিস। ভাবীরা চলে এসেছে বোধহয়। চল ছাদে যাই। সবাই ওয়েট করছে মেবি।”
এই বলে আপু আমার হাত ধরে রুম থেকে বেরিয়ে ছাদে নিয়ে এলো। ছাদে পা রাখতেই হিম শীতল হাওয়া আমার পুরো শরীরে মৃদু আকারের কম্পন ধরিয়ে দিলো। শরীরের সাথে লেপ্টে থাকা শালটা আরো শক্ত হাতে চেপে ধরলাম আমি। ছাদে উঠেই দেখলাম ছাদের কোনার দিকে ছন নির্মিত একটি ঘর রয়েছে। গ্রাম্য সংস্কৃতির ছোঁয়ায় গড়ে উঠা ঘরটি অসম্ভব সুন্দর এবং সুসজ্জিতভাবে ছাদে অবস্থান করছে। আপুর সাথে ঘরটিতে প্রবেশ করতেই দেখলাম জেবা ভাবী, ইমাদ ভাইয়া, আপুর শ্বশুর, শাশুড়ি এবং আদ্রিশ গোল হয়ে বসে আছেন। তাদের সাথে আরো একজন লোক এবং ছোট্ট একটি মেয়েও বসে আছে। এ দুজনকে দেখে আর বুঝতে বাকি রইলো না যে তাদের পরিচয় কি।

আপু আমাকে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করতেই জেবা ভাবী উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলেন,
” কেমন আছো মিম? কতদিন পর তোমার সাথে দেখা!”

আমি মুচকি হেসে বললাম,
” আমি ভালো আছি ভাবী৷ আপনি কেমন আছেন?”

জেবা ভাবী আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললেন,
” আমিও ভালো আছি। ইমাতিয়াজ আর ইকরার সাথে দেখ করিয়ে দেই চলো। ” এই বলে জেবা ভাবী আমার হাত ধরে ইমতিয়াজ ভাইয়ার সামনে এনে দাঁড় করিয়ে বললেন,
” বেয়াইনের সাথে দেখা করো। বিয়ের দিন তো দেখা করতে চেয়েছিলে। কিন্তু সেদিন মিমকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। ”

জেবা ভাবীর কথায় ইমতিয়াজ ভাইয়া মৃদু হেসে বললেন,
” আমাদের বেয়াইন সাহেব হয়তো ভীষণ ব্যস্ত মানুষ। যাই হোক, তোমার সাথে দেখা করে ভালো লাগলো। এবার আমাদের পিচ্চি মেয়েটার সাথে দেখা করো। ওর নাম ইকরা। বয়স কিন্তু মাত্র দশ মাস।” এই বলে ইমতিয়াজ ভাইয়া ইকরাকে আমার কোলে দিয়ে বললেন,
” ও সবার কোলেই যায় কিন্তু এবং যাকে একটু পছন্দ করে বসবে তার কোল হতে কিছুতেই নামতে চাইবে না ও। ভীষণ ছটফটে মেয়ে কিন্তু ও।”

ইমাদ ভাইয়ার কথায় আমি মৃদু হেসে ফর্সা টুকটুকে ছোট্ট ইকরার গোলগাল গালটা ধরে টেনে দিলাম। আমার কাণ্ডে ইকরা আমার দিকে ড্যাবড্যাব দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। অতঃপর মিনিট খানেকের পর্যবেক্ষণ শেষে ইকরা ফোকলা হেসে আমার চশমায় হাত বসালো। ওর অতর্কিত আক্রমণে আমি তৎক্ষনাৎ ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ হতে চশমাটা খুলে হাতে নিলাম। ইকরা অবুঝের মতো আমার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে ঘাড় ঘুরিয়ে আমার চশমা খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। তার এ কাণ্ডে আমিসহ সকলেই হেসে উঠলাম। মনে মনে ভাবতে লাগলাম, বাচ্চাদের কাছে এ চশমাগোষ্ঠী কেনো এতো প্রিয়?

ইকরাকে নিয়ে সকলের সাথে গদির উপরে বসে আছি আমি৷ সকলেই টুকটাক কথায় মশগুল। আর আমি মশগুল ইকরার সাথে। বারবার ওর নরম গোলগাল গাল টানার লোভ সামলাতে না পেরে ওর গাল টেনে দিচ্ছি আমি। ওর স্বাস্থ্যবান হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে চুমু এঁকে দিচ্ছি। মোট কথা, এ মুহূর্তে চারপাশের সব ভুলে আমি ইকরার সাথে খেলায় মশগুল হয়ে পড়েছি।

” ইশ! ভীষণ খারাপ মানুষ তো তুমি মিশমিশ!”

আচমকা কানের নিকটে আদ্রিশের কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলাম আমি৷ পাশ ফিরে আদ্রিশের দিকে চাইতেই দেখলাম সে আমার থেকে নিকটবর্তী দূরত্বে বসে আছেন। কোনোরূপ কথাবার্তা ছাড়াই হঠাৎ আমার নিকট হতে ইকরাকে কোলে নিয়ে বললেন,
” কথায় কথায় এতো আঁতকে উঠো কেনো মিশমিশ? ”

উনার প্রশ্নের তৎক্ষণাৎ জবাব না দিয়ে আমি চারপাশে সকলকে একনজর দেখে নিলাম। অতঃপর নিচু স্বরে বললাম,
” আর সবসময় আমার কানের কাছে এসে কথা বলে উঠেন কেনো আপনি?”

আদ্রিশ বিস্তৃত হেসে বললেন,
” সবসময় না মিশমিশ। হঠাৎ হঠাৎ।”

” সবসময় হোক বা হঠাৎ হঠাৎ হোক, আমার কানের কাছে কথা বলেন কেনো আপনি?”

” কানের কাছে না মিশমিশ। কানের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলি। ”

” কথাই বা বলবেন কেনো আপনি? ”

” কথা বলা আমার মৌলিক অধিকার তাই বলি।”

কথায় কথায় আদ্রিশের জবাব শুনে আমি বেশ বিরক্তি নিয়ে বললাম,
” ইশ! আপনি তো ভীষণ খারাপ মানুষ!”

আদ্রিশ ইকরার গাল দুটো টেনে দিয়ে আদুরে কণ্ঠে বললেন,
” ওহহো ‘ইশ’! তুমি তার মুখে কি কিউট শোনাও!”

উনার কথা কর্ণকুহরে প্রবেশ মাত্র আমি বিস্মিত চাহনিতে চেয়ে রইলাম উনার দিকে। আশ্চর্যান্বিত কণ্ঠে বলে উঠলাম,
” কি বললেন আপনি! ”

আদ্রিশ ইকরার সাথে খেলতে খেলতে নিরুদ্বেগ কণ্ঠে বললেন,
” যা শুনেছো তাই বলেছি৷ ”

আমি পূর্বের তুলনায় কণ্ঠে আরো বিস্ময় মিশিয়ে বললাম,
” আপনি আমায় নিয়ে কি বললেন!”

আদ্রিশ এ পর্যায়ে চট করে আমার দিকে চেয়ে কুঞ্চিত ভ্রুজুগল নিয়ে সন্দিহান কণ্ঠে বললেন,
” তোমায় নিয়ে কি বললাম আমি? আমি তো ‘ইশ’ নামক শব্দটিকে নিয়ে বলেছি। মনে মনে কি চলছে তোমার মিশমিশ? ”

আমি তৎক্ষনাৎ কোনো জবাব দিতে পারলাম না। কিয়ৎক্ষণ হতভম্ব দৃষ্টিতে উনার দিকে চেয়ে হাল ছেড়ে বললাম,
” সম্ভব না আমার পক্ষে। কিছুতেই সম্ভব না।”

আমার কথায় আদ্রিশ গর্বের সহিত হেসে বললেন,
” তুমি কখনই আমার সাথে পেরে উঠবে না মিশমিশ। এ তো কেবল শুরু। আগে আগে দেখো, কি কি হয়। তাই না ইকরা মামনি?”
এই বলে আদ্রিশ ইকরাকে শূন্যে তুলে দোলাতে লাগলেন এবং আমি মহা চিন্তায় উনার দিকে চেয়ে রইলাম। আসলে এই লোকটার মতলব কি!
®সারা মেহেক(গ্রুপ সারা’র গল্পকুঞ্জ)
পেজ: সারা মেহেক
#চলবে
(লেখায় আগ্রহ পাচ্ছি না। অনুপ্রেরণা পাচ্ছি না☹️ লিখতে মন চাইছে না😓
আজকের পর্ব ছন্দ কাটা মনে হলে ক্ষমাপ্রার্থী।)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here