আড়ালে_ভালোবাসি পার্ট_২৭
#নুসরাত_জাহান_অংকুর
||||
আরহান ছুটে গিয়ে নিশাতকে বলে
_”কি হইছে এভাবে চিৎকার করছো কেনো ?
নিশাত চোখ বন্ধ রেখেই অস্থির কণ্ঠে বলে
_”এইসব কিসের জন্য ?আমি ঠিক আছে তো।প্লীজ এটা খুলো আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।জ্বলছে অনেক প্লীজ
আরহান দেখে স্যালাইন প্রায় শেষের দিকে।আরহান জয়ের দিকে তাকিয়ে বলে
_”সামান্য একটা স্যালাইন এর ব্যাথা সহ্য করতে পারছ না।এই মেয়ে নাকি সারাদিন আমার সাথে ঝগড়া করে।
ঠাট্টা করে বললেও নিশাত সেদিন কান না দিয়ে রেগে বলে
_”এতো বকবক না করে খুললে তো হয়।তাড়াতাড়ি খুলো!আমার খুব কষ্ট হচ্ছে আমি কিন্ত টান দেবো
নিশাত অন্য হাত এগিয়ে আনতে দেখে আরহান নিশাতের কাছে গিয়ে হাত ধরে বলে
_”আর একটু।প্রায় শেষ।একটু কষ্ট করো
নিশাত চোখ বন্ধ করে দাতে দাত চেপে সহ্য করে।নিশাতের চোখের কর্নিশ বেয়ে পানি পড়ছে।আরহান ঠোঁট দিয়ে সেটা সুষে নেয়।
আরহানের ছোঁয়া পেয়ে নিশাত কিছুটা ঠান্ডা হয়।জয় ব্যাপারটা বুঝতে পেরে বলে
_”আমি বাইরে আছি ইউ গাইস ক্যারি অন!
জয় যেতেই আরহান নিশাতের পেটের কাছে বসে।এক হাত দিয়ে নিশাতের হাত শক্ত করে ধরে তো অন্য হাত দিয়ে পেটের কাপড় উঠিয়ে সেখানে ভালোবাসা দেয়।
নিশাত ফট করে চোখ খুলে ।দুইজনের চোখাচোখি হয়ে যায়।নিশাত লজ্জায় নিজের চোখ সরিয়ে নেয়।
আরহান নিশাতের হাত ছেড়ে উঠে দাড়ায়।
নিশাত বুঝতে পারছে আরহানের অনেক অভিমান হয়েছে।নিশাত করুন চোখে তাকিয়ে আছে।আরহান একবার তাকিয়ে সোফায় বসতে গেলে নিশাত চিৎকার করে
_”আহহহহহহ
আরহান ছুটে এসে বলে আবার কি হলো?নিশাত কি বলবে বুঝতে না পেরে বলে
_”বেবি ডাকছে তোমায়?
আরহান ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করে
_”বেবি ডাকলো কি করে?
নিশাত অসহায় মুখ করে বলে
_”ডেকেছে তো আমি মা সেইজন্য আমি বুঝতে পারি।কান পেতে শুনো ডাকবে
আরহান তাচ্ছিল্যের শুরে বলে
_”কেমন মা যে নিজের সন্তান কে
বাকিটা বলার আগেই নিশাত আবার বলে
_”দেখো সত্যি ডাকছে
আরহান এবার হাটু গেড়ে বসে নিশাতের পেতে কান দেয়। নিশাত আরহানের মাথা চেপে বলে
_”কিহলো কিছু অনুভব করছো?
আরহান পেটে চুমু দিয়ে বলে
_”আর কিছু দিন সোনামনি তারপর তুমি এই পৃথিবীতে আসলে তোমাকে নিয়ে অনেক দূরে চলে যাবো।যেখানে তুমি আর আমি থাকবো
নিশাতের মুখ ছোট হয়ে আসে চোখ ছলছল করছে
_”আমি কি করে ওকে মানাবো?অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি।আমি নিজেও জানিনা কি করে নিজের সন্তান কে মেরে ফেলতে চাইলাম।অনেক বড় ভুল করছি যার সন্তানের মা হতে যাচ্ছি তাকে কখনো বুঝলাম না।সংসার তো করেছি কিন্ত বুঝতে শিখিনি।যেইভাবে হোক আমাকে ওর অভিমান ভাঙাতে হবে।এক পাহাড় সমান অভিমান এক বুক ভালোবাসা দিয়ে ভাঙাবো।প্লীজ আল্লাহ পাশে থেকো আর এতদিন ভুল করার জন্য মাপ করো।আজ আমি নফল নামাজ পড়ে দেবো প্রমিজ (মনে মনে)
নিশাত মনে মনে ভাবছে আরহানের চুটকি বাজাতে হুশ ফিরে ।
আরহান ভ্রু কুচকে বলে
_”কি এত ভাবছো?কখন থেকে ডাকছি।শুনো তোমার যা হয় হোক কিন্ত আমার বাচ্চার কিছু হলে তোমাকে ছাড়বো না।ডক্টর তোমাকে টেনশন ফ্রি থাকতে বলছে আর তুমি রাজ্যের সব চিন্তা নিয়ে বসে থাকো।মনে হয় প্রধামন্ত্রী তুমি ।
_”আমার কিছু তোমার সত্যি কিছু যায় আসে না?
নিশাতের কথায় আরহানের বুকে ব্যাথা শুরু করে
_”তোমার কিছু হলে আমি বাঁচতে পারব না।অনেক কিছু হারিয়েছি তোমাকে হারাতে চাই না।(মনেমনে)
_”কিহলো কোথায় হারিয়ে গেলে?কিছু বলছি!
_”প্রশ্নটা ছোট কিন্ত উত্তর আমার কাছে নেই।যেদিন আমাকে বুঝতে পারবে সেদিন এর উত্তর ও পেয়ে যাবে।
আরহান চলে যেতে গেলে নিশাত বলে
_”আমি জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো।আমার কিছু হলে তোমার কষ্ট হবে।তুমি আমার উপর রাগ করে আছো আর রাগ অভিমান আসে ভালোবাসা অধিকারবোধ থেকে।
_”কিসের ভালোবাসা?আমার নাম সহ্য করতে পারতে না সেটাকে ভালোবাসা বলছো।জয় কত বার তোমাকে আমার কথা বলতে চেষ্টা করছে কিন্ত প্রতিবারই তুমি থাক বাদ দাও রাতে কি খাবে ?এখন থেকে বেশি করে খেতে হবে সাথে ওষুধ তো আছেই
_”সে তো খাবোই কিন্ত এটা ত খুলো
আরহান এসে স্যালাইন খুলে দিতে নিশাত হাফ ছেড়ে বাঁচে। আরহান চলে যেতে নিশাত আবার বলে
_”আরে কই যাও?আমাকে ওয়াশরুমে দিয়ে আসো ওযু করে নামাজ পড়বো।
আরহান তাকাতেই নিশাত হাত বাড়িয়ে দেয়।আরহান কিছু না বলে নিশাত কে কোলে নিয়ে ওয়াশরুমে যায়।
নিশাত ওযু করে আবার আরহান কোলে করে আসে।
আরহান বেরিয়ে গেলে নিশাত নামাজ পড়ে আরহানের ফোন নিয়ে লক খুলে। লক খুলতেই ওয়ালপেপার এ নিশাত আর আরহানের কাপল পিক।নিশাত আলতো করে ছুয়ে গ্যালারি তে যেতেই
সেখানে শুধু নিশাতের পিক ।
_”এত ভালোবাসেন অথচ আমি
আরহান নিচে এসে দেখে জয় বসে গেম খেলছে ।আরহান বলে
_”রাতে কি খাবি ?
জয় না তাকিয়ে বলে
_”কি প্ল্যান করলি?আমি বলি কি তুই থাক আমি কাল সকালে যাই।ওখানে কি হচ্ছে সব আপডেট আমি তোকে দিতে থাকবো।
আরহান রান্না ঘরে যেতে যেতে বলে
_”সবজি কাটতে একটু হেল্প কর তো।
_”সে করলাম।তাহলে কাল আমি যাচ্ছি।
_”নো মিনস নো।কাল আমি যাবো তুই টিকিট কেটে রাখ।
জয় অবাক হয়ে বলে
_”নিশাতের শরীর ভালো না।ওকে তোর দরকার।তুই এখন গেলে ভালো হবে না আর ওখানে যা খুশি ঘটতে পারে।
আরহান নিজের কাজে মনোযোগ নিয়ে বলে।
_”আমি না থাকলে তুই নিশাতের খেয়াল খুব ভালো করে রাখতে পারবি সেটা আমি জানি।সব ভেবে চিনতে বলছি কাল আমি যাবো আর এই নিয়ে কোনো কথা না তুই টিকিট বুক কর
_”কিন্ত!
_”বললাম তো
জয় আর কিছু বলে না ।জানে বলে কোনো লাভ নেই।এই ছেলে নিশাতের ছাড়া কারোর কথা শুনে না।
রান্না শেষ করে আরহান ওয়াশরুমে যায়। নিশাত ঐভাবে বসে আছে ।
উঠে আয়নায় নিজেকে দেখতে থাকে।চুল গুলো আঠা হয়ে গেছে।মুখ শুকিয়ে গেছে ।আয়নায় নিজের নিজেকে চিনতে পারছে না ।
ওয়াশরুমে দরজা খুলার আওয়াজে নিশাত সেদিকে তাকিয়ে দেখে ।আরহান একটা তোয়ালে পড়ে চুল ঝাকাতে ঝাকাতে আসছে।
আরহান যত এগিয়ে আসছে নিশাতের হার্ট বিট তত বাড়ছে হটাৎ নিশাতের চোখ যায় আরহানের হাতের ডান পাশে ক্ষতর দিকে ।
আরহান নিশাতের পাশ কাটিয়ে আয়নায় দাড়াতেই নিশাত নিজের দিকে ঘুরিয়ে ক্ষত টা স্পর্শ করে বলে
_”এটা কিসের ক্ষত?আগে তো কখনো দেখিনি।এটা তো মনে হচ্ছে বেশি দিনের না কিসের ক্ষত এটা?
নিশাতের কথা আরহান সরে এসে শার্ট পড়তে নিলে নিশাত বাধা দেয়।
_”কিহলো আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।কিভাবে হলো?এটা তো অনেক গভীর ক্ষত
আরহান সোজাসাপ্টা উত্তর দেয়
_”সেটা তোমার না জানলেও চলবে।আরহান আবরার কারোর কাছে কৈফিয়ত দেয় না।
_”আচ্ছা তো আমিও মিসেস আবরার।আমার জানার সম্পূর্ণ অধিকার আছে।তুমি কি বলবে?
আরহান নিশাতের চোখে চোখ রেখে বলে।
_”সেই অধিকার কি তোমার সত্যি আছে? নিজের মনের কাছে প্রশ্ন করো তো।
_”দেখো একদম কথা পাল্টানোর চেষ্টা করবে না।
_”কাউকে জবাব দেওয়ার টাইম ইচ্ছা কোনোটা আমার নেই।
কথাটা বলে আরহান বারান্দায় চলে যায়।নিশাত পিছন পিছন যেতে গেলে জয় কে দেখে থেমে যায়
_”জয় তুমি কখন আসলে ?
_”কিছুক্ষণ আগে তিনি চোখ বন্ধ করে ছিলে।
আরহান বারান্দা থেকে গেঞ্জি টাউজার পড়ে এসে বলে
_”কোথাও যেতে হবে না আজ থেকে তুই এখানে থাকবি ।চল রাতের খাবার খেয়ে নিবি ।
_”টিকিট কাটা হয়ে গেছে কাল সকাল ৮টায় বাস।
আরহান কিছু বলার আগেই নিশাত প্রশ্ন করে
_”কিসের টিকিট?আর কে কোথায় যাচ্ছে?
জয় কে কিছু বলতে না দিয়ে আরহান বলে
_”তোমার জানার দরকার নেই। পরে জানতে পারবে এখন চলো খেয়ে নিবে।
নিশাত কিছু একটা ভেবে আরহানের কানে কানে বলে
_”আমাদের হানিমুনের টিকিট?
নিশাতের কথায় আরহান হা হয়ে যায়।
_”এই মেয়ে তো আমাকে মেরে ছাড়বে।আমি এর থেকে দূরে যেতে চাইছি আর এ কি না হানিমুন নিয়ে আছে ।তবে সত্যি তো আমাদের হানিমুন হয়নি যাই হক নিজেকে ঠিক কর আরহান।এই মেয়ের মাথায় সমস্যা আছে কখন কি বলে নিজেও জানে না (মনে মনে)
_”কিহলো উত্তর দিচ্ছ না কেনো?
_”চুপ করো
নিশাত কিছু বলার আগেই আরহান কোলে তুলে নেয়। নিশাতের চোখ গুরুর মত বড়ো বড় হয়ে যায়।পিছনে জয় মুচকি মুচকি হাসতে হাসতে আসছে ।
আরহানের কোনো হেলদোল নেই সে নিজের মতো হেঁটে যাচ্ছি । নিশাত কিছু বলতেও পারছে না ।
আরহান নিশাতকে খাবার টেবিলে বসিয়ে দিয়ে নিজে বসে।
নিশাত শুধু খাবার নাড়াচাড়া করছে লজ্জায় মুখ তুলতে পারছে না। আরহান রেগে বলে
_”কিহলো খাচ্ছো না কেনো?
_” আমার খুদা নেই
নিশাত আস্তে করে কথাটা বলে উঠে যেতে গেলে আরহান হাত ধরে বলে
_”চুপচাপ খাও
নিশাত তবু ও নাড়াচাড়া করছে জয় বুঝতে পারে বলে
_”আরে ভাবী রিলাক্স।এত চাপ নেওয়ার কিছু নেই সব আমরা নিজেদের লোক।
আরহান নিশাতের মুখ নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিজে হাতে খাইয়ে দেয়। নিশাত ও চুপচাপ খাচ্ছে ।
জয় দুঃখ করে বলে
_”আজ কেউ নেই বলে
নিশাতের কাশি উঠে যায়।
রাতে নিশাত বসে আছে ।আরহান জয়ের সাথে কথা বলে রুমে আসতেই বলে
_”ওষুধ খেয়েছো?
নিশাত মাথা নাড়ায়।আরহান শুয়ে পড়ে।নিশাত বালিশ দিয়ে মেরে বলে
_”জয়ের সামনে ওমন করলে কেনো?
আরহান অবাক হয়ে বলে
_”তুমি তো বলছিলে তাই তো
নিশাত গাল ফুলিয়ে বলে
_”আমি বলেছি রুমের ভিতর।সবার সামনে তো না। জানো না স্বামী স্ত্রীর কথা কাউকে বলতে নেই আর তুমি
নিশাত পাশে তাকিয়ে দেখে আরহান ঘুমিয়ে গেছে ।নিশাত গাল ফুলিয়ে আরহানের বুকে শুয়ে পড়ে।
_”আহহ কি শান্তি
আরহান চোখ বন্ধ করে সবটা অনুভব করছে ।
(সবাই প্রেম করছে আর আমি বসে বসে অ্যাসাইনমেন্ট করি এটা কোনো কথা।আবার নাকি স্কুল খুলবে।দীপু খালা এমন কেন করলো?আপনারা বলেন আমার মত নিরীহ মাসুম মানুষকে এত কষ্ট দেওয়ার কি দরকার ।সবার তো বিএফ জামাই করে দিচ্ছে আর আমার না বিএফ আছে ,না জামাই আর না কাজিন।ফ্যামিলি টে আমি অন পিছ 😶ভালো লাগে না । কেউ সান্তনা দাও)
সকালে
নিশাত বসে বসে আরহানের কান্ড দেখছে ।আরহান আয়নায় দাড়িয়ে রেডী হচ্ছে ।নিশাত সেই থেকে প্রশ্ন করছে কিন্ত একটার উত্তর ও পায়নি তাই চুপ করে আছে ।
আরহান রেডী হয়ে বলে।
_”বাসায় জয় থাকবে আর কাজের লোক আছে।কোনো প্রয়োজন হলে শিরীন (কাজের মেয়ে) কে বলবে ।তোমার বয়সী আর জয় মাঝে মাঝে দেখে যাবে ।সাবধানে থেকো
নিশাত এবার চিল্লিয়ে বলে
_” আমি সেই থেকে প্রশ্ন করছি একটার উত্তর ও দিলে না এখন আবার দরদ দেখাচ্ছো।লাগবে না তোমার দরদ থাকবো না আমি এখানে
বিছানা থেকে নামতে গেলে আরহান চোখ রাঙিয়ে বলে
_”আমাকে ভয়ানক কিছু করতে বাধ্য করো না।অনেক নিজের মনমতো চলছ এখন থেকে আমি যা বলব তাই শুনবে। কোথাও যাবে না এখানে থাকবে আমি যদি এসে শুনি তুমি একটা কথা ও শুননি তাহলে
নিশাত কিছু ভয় পেয়ে বলে
_”শুনবো কিন্ত কোথায় যাচ্ছো সেটা তো বলবে?
_”কাজ আছে
আরহান নিশাতের পেটে চুমু খেয়ে চলে যায়।
_”শুধু বেবি কে কিসি দিলো আমাকে দিলো না হুঁ কথা বলবো না।কিন্তু কোথায় গেলো ?
শিরীন এসে বলে
_”আফা মনি কিছু খাইবেন ?
নিশাত মাথা নাড়িয়ে না বলে ।শিরীন চলে যেতে গেলে নিশাত ডাক দেয়
_”শুনো তুমি আমার সাথে থাকবে? আমার একা একা লাগছে
_আফা আপনি বয়েন আমি আপনার জন্য দুদ নিয়ে আসি তারপর গল্প করমু
নিশাত মন খারাপ করে বসে থাকে হটাৎ কি মনে করে ফোন হাতে নিয়ে একজনকে ফোন দেয়।
ফোন ধরতেই নিশাত বলে
_”হেলো আমার সাথে কি দেখা করতে পারবে ?
……
_”ওকে তাহলে চলে আসো
নিশাত ফোন কেটে বারান্দায় দাড়ায় ।আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
চলবে
(কাল গল্প না দেওয়ার জন্য দুঃখিত। অ্যাসাইনমেন্ট+পড়াশুনা আমি শেষ ।কিন্ত আমি এত কষ্ট করে লিখি সবাই তো আমাকে সুন্দর সুন্দর কথা বলতে পারো তাহলে আমার মন ভালো থাকে।কমেন্ট করতে কি কষ্ট হয় শুধু নাইস আর নেক্সট ভালো লাগে না ।ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।গল্পটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক বাস্তবের সাথে মিলাতে আসবেন না ধন্যবাদ ।)