পরনিন্দা |০৪| #লেখাঃ_অনন্য_শফিক

0
507

#গল্পঃ_পরনিন্দা |০৪|
#লেখাঃ_অনন্য_শফিক
—-
সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ভয়ংকর ঘটনা টা ঘটলো। ছোট চাচী সেই কথা লুকিয়ে রাখলেন কয়েকদিন। কিন্তু বেশিদিন তিনি লুকিয়ে রাখতে পারলেন না। আসলে খারাপ সময়ে চেষ্টা করেও সব লুকানো যায় না!
হুট করেই শিলা এখানে চলে এলো।শিলা চলে এলো কিন্তু জেনি এলো না।এর মানে কি?
মানেও জানা গেল দুদিন পর।শিলাই একদিন চিৎকার করে তার মাকে বললো, ‘তুমি এক খারাপ, তোমার ছোট মেয়ে আরেক খারাপ! আমার সংসারটা শেষ করে দিছে তোমার মেয়ে! এর শাস্তি সে পাইবো।আর আমি যদি কোনদিন এরে খুঁজে পাই তবে ওরে নিজ হাতে আমি খু*ন করবো।ওরে খু*ন করলেই আমার শান্তি!’
সময় যেতে থাকে। এক মাস, দু মাস এভাবেই।জেনি আর বাড়ি ফিরে না।শিলাও বাড়ি থেকে আদনানদের বাড়ি যায় না। উঠোনে মাঝেমধ্যে সে আসে।আড়াল থেকে তাকে দেখি। চেহারা কেমন মলিন হয়ে গেছে। দূর থেকে দেখেও বোঝা যায় তার বয়স বেড়ে গেছে।
এর কদিন পরেই হুট করে শিলার দূর্ঘটনা টা ঘটে। পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল। ওখান থেকে উঠার সময় পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে গিয়ে আঘাত পায় সে। ছোটখাটো কোন আঘাত না।বড় আঘাত। তার গর্ভপাত হয়। শরীর খারাপ হয়ে যায় খুব। হাসপাতালে গিয়ে দুদিন থাকতে হয়। হাসপাতাল থেকে আসার পরেই শিলার মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
সে এখন আমাদের ঘরে আসে। আমার সঙ্গে, মায়ের সঙ্গে কথা বলে।
একদিন আমায় পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললো,’তুলি আপু, জেনি আমার নিজের মায়ের পেটের বোন হয়ে কিভাবে আমার এতো বড় সর্বনাশটা করলো! ‘
আমার কথা বলতেও রুচিতে বাধছিলো ওর সাথে। তবুও কথা বললাম।ওর এমনিতেই খারাপ অবস্থা।গর্ভটা নষ্ট হলো। তাছাড়া সংসার ভাঙলো।মন না চাইলেও জোর করে কথা বললাম ওর সাথে। বললাম,’ কি হয়েছিল আসলে বল তো?’
শিলা চুপ করে থাকে। চোখ তার জলে ভিজতে থাকে।নাকে সর্দি জমে।নাকের সর্দি টেনে নিয়ে সে বলে,’ আদনানের দোষ দিবো না আমি। জেনির সব দোষ।নিজ থেকেই গিয়ে গায়ে পড়ে থাকতো।সুযোগ দিতো।সুযোগ দিলে তো —
শেষ করতে পারে না কথা শেলি। কেঁদে ফেলে।
আমি কাঁদতে দেই তাকে। অনেক কেঁদেছি আমি।সেও একটু কাঁদুক।কান্না শেষ হলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করি,’ জেনি এখন কোথায় আছে?’
শিলা বলে,’ জানি না রে বোন।’
আমি অবাক হই।বলি,’ জানিস না মানে?’
শিলা বলে,’ কিভাবে জানবো? আদনান ওকে নিয়ে কোথায় যেন পালিয়ে গেল। ওদের নম্বর বন্ধ। ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কোন রকম উপায়ও নাই।’
আমি বলি,’ ও আচ্ছা।’
শিলা খানিক সময় চুপচাপ বসে থাকে। তারপর বলে,’ তুলি আপু।’
আমার নাম উচ্চারণ করে। তারপর আমার কাছে এসে বসে আমার একটা হাত ধরে। তারপর আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে,’ তোমার সঙ্গে মা বড় অন্যায় করেছে। আদনান তোমার ছিল।মা মিথ্যে অপবাদ দিয়ে তাকে আমার করেছে।এর শাস্তি আমি পাচ্ছি।’
আমি মনে মনে হাসি। মায়ের উপর সব দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে এখন। সেও কি কম করেছে আমার সঙ্গে? সবচেয়ে বড় নিন্দেটা তো সেই করেছে আমার। সমস্ত পাড়ায় বলে বেড়িয়েছে, তার স্বামীর সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। তার সংসার ভাঙতে চাইছি আমি। কিন্তু আল্লাহ তো দেখিয়ে দিলেন, কাউকে নিয়ে খেলতে গেলে এর পরিণাম কি হয়! কাউকে মিথ্যে দোষ দিলে, পরনিন্দা করলে কারোর নামে তা যে নিজের উপর এসে পড়ে এটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে এরা!
ছোট চাচী আজকাল একেবারেই চুপচাপ। আগে পাড়ায় এর ঘরে, ওর ঘরে যেতো। এখন ঘর থেকেই দরকার ছাড়া বের হয় না।
এরমধ্যে আরেক ঘটনা ঘটলো।হুট করেই একদিন আদনানের মা এলো আমাদের বাড়িতে।এসে ছোট চাচীকে আচ্ছা মতো ধরলো। বললো,’ তুই খারাপ মহিলা। তুই একটা ডা*ইনি। তুলির নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে সেই বিয়েটা তুই ভাঙিয়ে ছিলি। এরপর জাদু টোনা করে, মায়ায় ভুলিয়ে তোর নষ্ট মেয়েরে আমার ছেলের কাছে বিয়ে দিছস। এই মেয়ে বিয়ে হয়ে গিয়ে আমার দেবরের ছেলের সঙ্গে ফস্টিনস্টি করে ।দশ জনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে রাত দিন। এরপর ছোট মাইয়ারে পাঠাইছস। সেই মাইয়া আমার ছেলে নিয়ে ভাগছে।তুই আমার পরিবারের মান সম্মান সব নষ্ট করে দিছস।তোর মুখোশটা আমি আজ খুলে দিয়ে যাবো ‌।’
আদনানের মা ছোট চাচীর থেকে কিছুতেই কম না। সে আমাদের পাড়ার এ বাড়ি, ও বাড়ি মিলিয়ে প্রায় সব বাড়িতেই ছোট চাচী আর তার মেয়েদের সম্পর্কে যতোটা মন্দ বলা যায় সব বলে গিয়েছে।যা সত্য তা তো বলেছেই, বানিয়ে বানিয়ে রসালো করে মিথ্যেও বলে গিয়েছে। সবচেয়ে ভয়ংকর মিথ্যে যা বলেছে তা হলো, শিলার গর্ভের সন্তানটাও আদনানের না। অন্য কারোর।শিলা তো অনেক ছেলের সঙ্গেই ফোনে কথা বলতো। ওইসব ছেলেদের থেকেই কারোর হবে হয়তো!
গ্রামে তোলপাড় রব উঠে গেল এইসব কথা শুনে। সবার মুখে মুখে এই কথা। এসব সহ্য করতে না পেরে সেদিন রাতেই শিলা সু*ইসাইড করলো। গাছের পাতায় দেবার জন্য ছোট চাচী যে বিষ কিনে এনেছিল। সেই বিষ খেয়ে সে সু*ইসাইড করেছে। হাসপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে।
একটা সুন্দর জীবন।আহ্লাদের জীবন।শিলা ইচ্ছে করলেই মানুষের মতো করে এই জীবন ভোগ করতে পারতো।করলো না। আসলে পাপ কখনোই কাউকে ছেড়ে দেয় না। কাউকে দুনিয়াতেই এর পরিণাম দেখায়। শিলা মরে গিয়ে শেষ হয়েছে। কিন্তু কষ্ট রেখে গিয়েছে ছোট চাচীর জন্য।
ছোট চাচীর বড় গলা ছোট হয়েছে।জল আর যত্নের অভাবে সবজি বাগান নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হয়েছে তার চেহারাও।আর মানুষের কাছে তার সম্মানও!

এর আরো ছ’মাস পর জেনি হুট করেই বাড়ি ফিরে এলো। তাকে ঢাকায় ফেলে রেখে মিথ্যে বলে আদনান আরব আমিরাতে চলে গিয়েছে।এ নিয়ে কোন মামলা মোকদ্দমাও করতে পারলো না জেনি! কারণ ওরা বিবাহ বহির্ভূত ভাবেই এতো দিন একসঙ্গে ছিল।জেনি বার বার তাগাদা দিলেও আদনান গড়িমসি করেছে।সময় চেয়েছে আরো কিছুদিন। এরপর হুট করে জেনিকে ফেলে রেখে সে দেশের বাইরে চলে গেল।জেনি পড়লো অতল সমুদ্রে।
জেনি বাড়ি ফিরলো ঠিক কিন্তু মানুষের সামনে সে যেতে পারে না। এতো কিছু করার পর সে মানুষকে মুখ দেখাবে কি করে?
ছোট চাচীও মেয়েকে দেখতে পারেন না।মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন না। তিনি বলেন, জেনিই একমাত্র দায়ী শিলার মৃত্যুর জন্য।
ছোট চাচীকে একটা কথা বলা দরকার।বলা দরকার, জেনি না। বরং ছোট চাচী নিজেই দায়ী এইসব কিছুর জন্য। তিনি নিজে অতি লোভ করে, পর মানুষকে নিয়ে নিন্দা ছড়াতে গিয়ে এমন অন্ধকার ডেকে এনেছেন!
আজকাল ছোট চাচী আমাদের ঘরে খুব আসেন। মায়ের কাছে বসে কাঁদেন।ক্ষমা চান।মা কিছু বলেন না। শুধু এটুকু বলেন, ‘আল্লার কাছে ক্ষমা চাও।আর পাপ করো না।তাওবা করো। তাহলেই হবে। আল্লাহ তোমায় মাফ করে দিলে আমিও মাফ করে দিবো।’
ছোট চাচী আমার কাছেও মাফ চাইতে আসেন।আমিও মায়ের মতোই বলি।বলি, ‘আপনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন চাচী। বাকিটা জীবন তার পথে কাটান। আমি আপনাকে মাফ করে দিলাম!’
চাচী শুদ্ধ হবেন কি না জানি না। কিন্তু তার ক্ষতি যা হবার তা হয়ে গেছে। পাপের পরিণাম তিনি দেখে ফেলেছেন!

গ্রামের মানুষেরা আমায় নিয়ে যেভাবে মন্দ কথা বলতো , হাসি তামাশা করতো তা আর করে না কেউ। ছোট চাচীর পরিবারের এমন পতন দেখে অনেকের মনে ভয় ঢুকেছে। অনেকেই মার কাছে এসে ক্ষমা চেয়ে বলেছে, আমরা না বোঝে, যাচাই-বাছাই না করে আপনার মেয়েকে নিয়ে নানান মন্দ কথা বলেছি। আপনি আমাদের ক্ষমা করুন।
মা মিষ্টি করে হেসে বলেন, ক্ষমা করে দিলাম।
মায়ের মতো আমিও ভাবি। ক্ষমা এক মহৎ গুণ।আমি মানুষকে ক্ষমা করলে আল্লাহ খুশি হয়ে নিশ্চয় তিনিও একদিন আমায় ক্ষমা করে দিবেন!

আমার জীবনে বসন্ত এসেছে এর আরো কয়েকদিন পর। আজকাল রোজ রোজ বিয়ের আলাপ আসে।বড় বড় ঘর থেকে আলাপ আসে।মা বলেন, অতো বড় ঘরে মেয়ে বিয়ে দিবো না।টাকা পয়সা ওয়ালা লোকের প্রতি আমার লোভ নাই। আমার মেয়েরও এসবের প্রতি লোভ নাই। আমার মেয়ের জন্য একটা ভালো ছেলের দরকার।যে ছেলে আল্লাহর শাস্তিকে ভয় পায়।যে ছেলে পাপ করতে ভয় পায়।যে ছেলে ভালো মানুষ।যে কোন মানুষকে ছোট করে না। এমন একটা ছেলে হলেই হবে। ছেলের টাকা পয়সা না থাকলেও চলবে। ভালো ছেলেরা রিক্সা চালিয়ে হলেও তার পরিবারের ভরণ পোষণ ঠিক ভাবে করবে। স্ত্রীকে সন্তানকে কষ্টে রাখবে না। ওদের ঘরে হয়তো জাঁকজমকপূর্ণ আসবাবপত্র থাকবে না।বাহারি কাপড় আর খাবার থাকবে না। কিন্তু জাঁকজমকপূর্ণ ভালোবাসায় পূর্ণ থাকবে ওদের ঘর। ওদের মন।
মায়ের এই আশা পূর্ণ হলো।
ফাল্গুন মাসের পনেরো তারিখ এক ছেলের বাবা ছেলেকে নিজেই নিয়ে এলেন আমাদের বাড়িতে। তিনি এসে মাকে বললেন,’ আমি গরীব মানুষ বোন।বিরাট গরীব! দিন আনি দিন খাই অবস্থা। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আমার ছেলে ভালো এই গ্যারেন্টি আমি দিতে পারি। আমার ঘরে ধন দৌলতের অভাব হলেও আদর ভালোবাসার অভাব হবে না আপনার মেয়ের। ‘
মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘ছেলে কি করে? তার পেশা কি?’
ছেলের বাবা বললেন, ‘বোন, ছেলে একটা ছোটখাটো চাকরি করে। বেতন একেবারেই কম। আমিও শিক্ষক মানুষ। হাইস্কুলের শিক্ষক।সরকারি হাইস্কুল না। এমপিওভুক্ত। সামান্য বেতন আমাদের বাপ ছেলে দুজনের। কিন্তু আমি কথা দিতে পারি, আপনার মেয়েকে আমার ঘরে দিলে তার কোনদিন মন খারাপ হবে না। তাকে কোনদিন কষ্ট দিবে না আমার ছেলে!’
মার কেন জানি ছেলে আর ছেলের বাবাকে পছন্দ হয়ে গেল। তিনি বললেন, ‘আমি মেয়েকে জিজ্ঞেস করি আগে।’
মা এসে আমায় জিজ্ঞেস করলেন সব।আমি আড়াল থেকে উনাদের সব কথা শুনেছিলাম। তাছাড়া ছেলেকেও আমি দেখেছি। আমার পছন্দ হয়েছে।আমি মাকে বললাম,’ মা আমার পছন্দ হয়েছে।’
মা বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’

ফাল্গুনের শেষ দিকেই আমার বিয়ে হয়ে গেল। বিয়ের পর ওদের বাড়ি গিয়ে আমি চমকে উঠলাম। আমার শ্বশুর যে বলেছিলেন তিনি গরীব মানুষ এই কথা মিথ্যে। তার ধন দৌলতের অভাব নাই।কতো সুন্দর বাড়ি। বাড়ির চারপাশ। তিনি বলেছিলেন, আমার স্বামী সামান্য চাকরি করে।এই কথাও মিথ্যে। আসলে আমার স্বামী একজন কাস্টম অফিসার। চল্লিশ তমো বিসিএসে ক্যাডার হয়েছিলেন তিনি।
আমি আমার শ্বশুরের এমন মিথ্যাচারের জন্য অবাক হলাম।উনি ধার্মিক মানুষ। ভালো মানুষ। তাহলে তিনি এমন মিথ্যে বললেন কেন?
আমি আমার শ্বশুরকে নিজেই জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘ বাবা আপনি মার সঙ্গে মিথ্যে বলেছিলেন কেন? কেন বলেছিলেন আপনারা গরীব? আপনার ছেলে সামান্য চাকরি করে?’
আমার শ্বশুর হেসে বললেন, ‘ভয়ে মা। ভয়ে।আমি মানুষের কাছে শুনেছিলাম তোমার মা তোমাকে গরীব ঘরে বিয়ে দিবে।ধনী ঘর তার পছন্দ না। এই ভয়েই আমি বলেছিলাম আমরা এরকম।’
আমি বললাম,’ আমি তো সাধারণ এক পরিবারের মেয়ে। আমার পড়াশোনা কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও না।দেখতেও আমি খুব একটা সুন্দর না। চাকরি বাকরিও নেই আমার। তবে আমাকেই কেন পছন্দ করলেন আপনি বা আপনার ছেলে মিলে?’
আমার শ্বশুর এবারও হাসলেন। হেসে বললেন,’ বিয়ে তো ধন সম্পদ বা চাকরির সাথে হয় না মা। বিয়ে হয় মানুষের সাথে মানুষের। আজকাল ভালো মেয়ে বা ভালো ছেলে মিলানো ভার। দুনিয়া এখন কঠিন মা। এই দুনিয়ায় আসল মানুষ খুঁজে বের করা কঠিন।আমি বড় কষ্ট করে বহু দিন খোঁজাখুঁজি করে তোমার মতো অমূল্য ধন পেয়েছি মা।’
আমি আর কিছু বলতে পারলাম না।আমি টের পেলাম আমার চোখ ভিজে যাচ্ছে জলে। সেই জল আঁচলে মুছে মনে মনে আমি বললাম, আল্লাহ, তুমি কতোই না দয়ালু। তোমার চেয়ে বেশি ভালো আর কেউ বাসে না তোমার বান্দাদের!
___সমাপ্ত___

#পরনিন্দা
(রোজার সময় এমনিতেই মানুষ ক্লান্ত থাকে। এরমধ্যে আমি দিনভর কাজে ডুবে থাকি।রাতেও নানান ঝামেলা থাকে। এরমধ্যে গল্প লিখার সময় বের করা বেশ কঠিন।আমি তবুও লিখি। একটু সময় পেলেও ক্লান্ত শরীরে , ঘুমো ঘুমো চোখে কষ্ট করে হলেও লিখি।কম সময়ে, পরিশ্রান্ত শরীরে লিখি বলে হয়তো গল্প সুন্দর হয় না। আপনাদের মন মতো হয় না।লিখা খারাপ হলেও কি করবেন বলুন। আমায় ক্ষমা না করে কি উপায়? আমি যে আপনাদেরই ভাই! আপনাদেরই ছোট্ট একজন লেখক!)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here