ম্যাচ পয়েন্ট ১

0
349

ম্যাচ পয়েন্ট

(ইয়াজমিন রুমানা)

সমস্ত মনোযোগ নিবেশ করে টিভির পর্দায় তাকিয়ে আছেন শফিক সাহেব। তিনি টেনিস খেলার দারুন ভক্ত, কোথায় কবে কি টুর্নামেন্ট হচ্ছে, কে খেলছে কে খেলছেনা, সব জানা তার। গতবছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নাদালকে খুব সমর্থন করেছেন, এবারে আছেন মেদভেদেব এর সাথে। ওদিকে বাচ্চা একটা ছেলে সিনার, প্রথম কয়েকটা সেটে মিইয়ে ছিল, এখন ফিরে আসছে ভালো মতই।

খেলা শেষের পথে, মেডিভেদেবের হাতে বল, নানা কসরত করে সে অবশেষে বলটা ব্যাট ছোঁয়ালো। শফিক সাহেবের অপলক দৃষ্টি উপেক্ষা করে বলটা রয়ে গেল খেলোয়ারের নিজের কোর্টে, নেটের গায়ে লেগে পড়ে গেল নিচে।

” আহ” বুক চেপে ধরলেন তিনি, ” হলোনা। এইটেই ম্যাচ পয়েন্ট ছিল। আর বোধহয় হলোনা”।

***

রাবেয়াদের বাড়িটা বিশাল, শুধু বাড়ি না, বাড়ির চারদিকে রীতিমতো মাঠের মত জায়গা, তাতে অন্তত ফুটবল খেলা না গেলেও ব্যাডমিন্টন খেলা যায় অনায়াসে। আর সত্যিই নেট পোতা থাকে সারাবছর, শীতকালে সন্ধ্যা করে সেখানে বাড়ির ছেলেমেয়েরা ব্যাডমিন্টন খেলে। আসলে বাড়ির ছেলেমেয়েরা বলতে রাবেয়া একাই, সে এই বাড়ির একমাত্র মেয়ে। খেলা হয় মূলত তার বান্ধবী অথবা চাচাতো মামাতো খালাতো ফুপাতো ভাই বোনদের নিয়ে।

এই বিশাল বাড়ি আর তার একমাত্র উত্তরাধিকারী রাবেয়াকে নিয়ে স্বভাবতই পাড়ার ছেলেদের আগ্রহের অন্ত নেই। এই এলাকায় অনেক যুবক একটু বেশী বয়সে বিয়ে থা করেছে, লোকে বলে তারা নাকি সবাই অপেক্ষা করেছিল রাবেয়ার বিয়ের বয়স হবার। অবশেষে নাকি নিজেদের বয়স আটকে রাখতে পারেনি বলে বিয়ে করেছে।

শফিক, রায়হান আর দীপ্ত অবশ্য এ দৌড়ে এগিয়ে আছে। ওদের বয়স রাবেয়ার কাছাকাছি, অপেক্ষা করার মত যথেষ্ট সময় তাদের আছে। আর তাছাড়া, তাছাড়া রায়হান, দীপ্ত আর রাবেয়া একই কলেজে পড়ে।

শফিক দাঁড়িয়েছিল সেই মেয়েটির জন্যই, কিন্তু গাড়িটা বের হয়ে আসতে দেখেই সামান্য ঘুরে দাঁড়াল। চোখে মুখে বিশেষ ধরণের অন্যমনস্ক একটা ভঙ্গি ফুটিয়ে তুলল যত্ন করে। বেশ কয়েকবার কাজে দিয়েছে এই জিনিস, আজও দিল। গাড়িটা এসে থেমেছে ঠিক তার গা ঘেষে।

” উঠে এসো” ঝকঝকে উজ্জ্বল দাঁত বের করে হাসছে রাবেয়া , ” এসো এসো… ”

এক মুহূর্তের জন্য সামান্য শ্বাসকষ্ট, তারপর স্বাভাবিক গলা, ” আরে না। হেঁটে যাবার অভ্যাস আছে আমার… ”

প্যাঁচপেচে গরম, বৃষ্টি হবে হয়ত তাই বাতাস খুব আদ্র। ঘামে ভিজে উঠছে শার্ট, তবু এটুকু অভিনয় করা যায়। এতে পাপ নেই। সে উঠে বসল। আহ! বড় শান্তি! ঠান্ডা বাতাস। রোদ নেই। তার ওপর একটু দূরেই রাবেয়া বসে আছে, বাতাসে দামি সাবান অথবা শ্যাম্পুর খুব মৃদু একটা গন্ধ।

” ধন্যবাদ” শফিক বলল, ” বলছিলাম হেঁটে যাব, তবে প্রথম ক্লাসটা মিস হত। ”

” তোমার মিস হলেই কি হত? ” রাবেয়া ঠোঁট উল্টায়, ” তুমি তবু হাইয়েস্ট নম্বর ই পেতে”।

শফিক নিজেও সেটা জানে আর জানে বলে প্রচ্ছন্ন একটা গর্ব আছে নিজের খুব ভেতরে। অবশ্য এই গর্ব অথবা তর্কসাপেক্ষে যেটাকে অহংকার ও বলা যায়, সেটা সে প্রকাশ করেনা। এই প্রকাশ না করাটা, মূলত, তার ক্ষুরধার মস্তিষ্কেরই প্রতীক।

রায়হান দাঁড়িয়েছিল মাঠের এক কোনায়, বলতে নেই ওকে দেখেই ঈর্ষার একটা ঢেউ শফিকের পা থেকে মাথা পর্যন্ত রীতিমতো জ্বালিয়ে দিয়ে গেল। হারামজাদা ছেলেটা পাঞ্জাবী পরে কলেজে আসে কেন? কলেজ কি ওর বৃন্দাবন? কি ভালোই না দেখাচ্ছে ওকে! শফিক কষ্টে দাঁতে দাঁত চেপে রাগ সামলালো, আড়চোখে তাকাচ্ছে পাশে বসা রাবেয়ার দিকে।

হ্যাঁ, ঠিক যা ভয় করেছিল, তাই হয়েছে। রাবেয়াও তাকিয়ে আছে রায়হানের দিকেই! সে গলা পরিষ্কার করে বলল, ” রাবেয়া, আমি হয়ত বিশের মধ্যে থাকবো কুমিল্লা বোর্ডে। জানো তো তুমি, না? ”

রাবেয়া কিছুটা অন্যমনস্ক, যেন জোর করেই বলল, ” হ্যাঁ হ্যাঁ, তা তো জানিই।”

শফিক ঢোক গিলল। নাহ। এটা হতে দেয়া যাবেনা। কিছুতেই না।

***

” রাবেয়া মেয়েটা যেন কেমন, তাই না? ”

তারা তিনজন অন্ধকারে মাঠে বসে, কেউ কারো মুখের আঁকাবাঁকা রেখা দেখতে পাচ্ছে না তাই। শুধু রায়হানের হাতের সিগারেটের আগুনটার ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। শফিক তীক্ষ চোখে ওই আগুনটাই দেখছে, যেন সেটা থেকেই বুঝে নিবে রায়হানের মনোভাব।

দীপ্ত সশব্দে নিজের মুখে, হাতে আঘাত করে করে মশা মারছিল, বিরক্ত কণ্ঠে বলল, ” কেন? সে আবার তোর কি ক্ষতি করেছে? ”

শফিক সন্তর্পনে শব্দচয়ন করে, ” এই দেখ, মেয়েদের সাথে না ঘুরে সারাদিন আমাদের সাথে, এটা কেন? ”

রায়হান হেসে উঠেছে অন্ধকারে, ” লাবণ্য। বিধাতা তার মধ্যে নারীর সাথে সাথে সামান্য পুরুষের গুন মিশিয়ে দিয়েছে। ”

” লাবণ্য কে? ” দীপ্তর এই প্রশ্নে মুখ ভরে থু থু ফেলল শফিক, ” ওটা শেষের কবিতা। তবে জীবন কোন গল্প উপন্যাস না, যাই বলিস “।

রায়হান হা হা করে হাসে আবার, ” কি জানি, আমার কাছে তো কবিতার মতই মনে হয় “।

একটু পরে বাড়ির পথে হেঁটে যাচ্ছিল দীপ্ত আর শফিক। রায়হানের বাড়ি অন্যদিকে, সে চলে গেছে উল্টো পথে।
দীপ্ত হঠাৎ বলল, ” শোন, তোর মনে হয় মেয়েটার দিকে একটু ঝোক আছে, তাই না? ”

শফিক চমকে উঠল, এত দক্ষ অভিনেতা সে নয় তাহলে?দীপ্তর মত গাধা যদি বুঝে ফেলে…

” না বলছিলাম কি, তুই তো.. কিছু মনে করিস না, এত গরিব শালার। ওর বাড়ির দারোয়ান তোর চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। তাই বলছিলাম কি, ওসব ভুলে যা। শান্তিতে থাকবি… ”

শফিক জানে তার চোখের দিকে এখন তাকালে দীপ্ত ভয় পাবে। তাই সে অন্যদিকে তাকিয়ে রইল।

***

তেল চিটচিটে তোষক একটা, তাও ভীষন সরু। বহু বছরের ব্যবহারে প্রায় মিশে গেছে নিচের কাঠের সাথে। পাশে দুটো সোফা, মানে এককালে সোফা ছিল আর কি। তোষকটার মত ওগুলিও, বসলে পশ্চাতে কাঠের খোঁচা টের পাওয়া যায়। শুধু পড়ার টেবিলটা সুন্দর। শফিকের নিজস্ব বলতে ওই টেবিলটা, সেটুকুই সে গুছিয়ে রাখে। আজকে কে যেন ভেজা গামছা নেড়ে রেখেছে চেয়ারের উপর, বাসায় ঢুকেই তার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল তাই।

” মেয়েটার মনে হয় কোন ওষুধ লাগবে, দুই দিন পায়খানা হয়না। মোজাফ্ফর এর কাছে যাবি নাকি?” মা বললেন, নাকি সুরে।

উফ! কি জঘন্য!! কি জঘন্য এই পরিবেশ!!! মোজাফ্ফর হোমিওপ্যাথি ডাক্তার, এক বোতল চিনির গোলার জন্য দশ টাকা নেয়, ওগুলিতে কাজ হয় কোন? এত অশিক্ষিত কেন এরা?

” আর গেলে তোর বাপের ব্যাথার ওষুধটাও আনিস। কালকে রাতে ঘুমাইতে পারেনাই ব্যাথায়…. ”

ঘুমাইতে পারেনা বলেই কি বছরের পর বছর বাচ্চা দিয়ে গেছে? বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকে শফিক ভাবলো। এই লোক আর মহিলা কি তাঁদের অর্থনীতি জানতো না? কি করে পেরেছিল ছয়টা সন্তানের জন্ম দিতে?

” আমার চাই টাকা। অনেক টাকা। মোটামুটি চলার টাকা না। বেশুমার টাকা। এই অসহ্য নোংরা জায়গা থেকে মুক্তি পেতে হলে অনেক টাকার কোন বিকল্প নেই….

রান্নাঘর থেকে ভেসে আসছে মাছের গন্ধ, কম দামে পাওয়া যায় বলে পঁচা মাছ কিনে আনেনি তো বুড়ো বাপটা? অসহ্য, সব অসহ্য লাগছে ইদানিং তার।

সে জানে তার মেধা সাধারণ না, অসাধারণ এর পর্যায়ে পরে। সে হয়ত ভালো ফলাফল করবে, ভালো কোন পড়াশুনা করবে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার একটা কিছু হয়েই যাবে। তার জন্য আরো ছয় বছর। তারপর চাকরি পাবে। আচ্ছা কত বেতন ই বা হবে?

তার চেয়ে অনেক বেশী ভালো হয় যদি হাতে কিছু অর্থ নিয়ে জীবন শুরু করা যায়। সে জানে, তার প্রখর মেধায় দুইকে চার, চারকে আট করা তার জন্য খুব কঠিন হবেনা। কিন্তু এই দুই আসবে কোত্থেকে?

রাবেয়া, হ্যাঁ, এইজন্য রাবেয়াকে ভীষণ দরকার তার। এতে খারাপ কিছু নেই, মেয়েটাকে সুখে রাখার ইচ্ছেই আছে তার। আর তাছাড়া রাবেয়ার বাবাই বা এত অর্থ পেয়েছে কোথায়? কে না জানে, সৎ পথে এত অর্থ আসেনা? আর অর্থের বিনিময়ে ভীষণ মেধাবী উজ্জ্বল ভবিষ্যতসম্পন্ন একটা ছেলে তো তারা পাচ্ছেই!!

দরজা দিয়ে বের হয়ে বিশাল পাঁচিলটার দিকে লক্ষতম বারের মত তাকায় সে। এটা পেরোলেই রাবেয়া, অথচ পার হওয়া যাচ্ছেনা কেন?

***

দেশের সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েও শফিক খুশী হতে পারছেনা। বাবা বলছেন, এত টাকা পাব কোথায়? আবার পড়তে হবে ঢাকায় গিয়ে! বাড়িতে ছয়টা ছেলেমেয়ে আর বাবা মা সহ আটটা মুখ খাবার জন্য অস্থির। এখানেই ছোট খাটো কিছু পড়ে কাজে নেমে পড়লে হয় না?

মা, পঞ্চম শ্রেণীতে যার অধ্যায়ন থেমে গিয়েছিল, তিনি অন্তত বাবার চেয়ে বেশী জ্ঞান রাখেন। এই মা ই কোত্থেকে যেন কিছু টাকা জাদুর বলে জোগাড় করে তাকে ঢাকা পাঠিয়েছিলেন পরীক্ষা দিতে। এখন তিনি, নাকি সুরে, বলছেন, বাবার কথা মেনে নিতে। শফিক পাগলের মত হয়ে যাচ্ছে দুশ্চিন্তায়।

” আমি এই বন্দর নগরী ছেড়ে কোথাও যাব না ” রায়হান ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল, ” এইখানে থেকে যদি বি এ পাশ করি, তাও সই “।

দীপ্তর মুখে লাগাম কম, ” শফিকের মত বুয়েট এ সুযোগ হলে একথা বলতি? ”

রায়হানের অভ্যাস গলা খুলে হাসা, সে হো হো করে হাসতে লাগল, ” না তা বলতে পারছিনা, তবে… ”

” তবে কি? ” শফিক ভ্রু কোঁচকাল।

হাতের সিগারেটের শেষ অংশটা কর্ণফুলির পানিতে ফেলে দিয়ে অনেক্ষন পানির দিকে তাকিয়ে রইল সে, ” তবে মনে হয় যেতাম না।”

দূর থেকে জাহাজের ভেঁপু শোনা যায়। শুধু এই ভেঁপু শোনার জন্য আর দূর থেকে দেখা যাওয়া জাহাজ দেখার জন্য তিন বন্ধু প্রায়ই বিকেল করে এখানে চলে আসে। আজ সেই শব্দে শফিকের চোখ জ্বালা করে উঠল, বুঁকের বাঁ পাশে সামান্য একটু ব্যাথা। সে হঠাৎই বুঝতে পারল, রাবেয়ার প্রতি তার যে টান, শুধু টাকার জন্য নয় সেটা।

***

পরিচিত, মোটামুটি ধরণের পরিচিত, বন্ধু বান্ধব, শিক্ষক সবার কাছে অর্থ ধার করে, সেই সাথে দিনে দুটো টিউশনি। এইসব করে তিনটা বছর কাটিয়ে দিয়েছে শফিক। কখনো না খেয়ে, কখনো রিক্সার পথ হেঁটে গিয়ে নিজেকে এবং পরিবারকে সমর্থন করতে করতে হাপিয়ে উঠেছে সে।

তবু ভাগ্য, কোন এক শুভ ক্ষণে দুই বড় বোনের বিয়ে হয়েছিল। এরা জামাইদের না জানিয়ে, চুরি করে, কখনো মার খেয়ে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে যায় বাবা মাকে। শফিক পারতে সারতে বাড়ি যায়না। তার অসহ্য লাগে। লম্বা ছুটির সময়গুলিতেও সে নির্জন হলের ডাইনিং এ বসে একা একা রেগে উঠতে থাকে। সে ধৈর্য ধরে আছে, একদিন এই রাগ তাকে অনেকদূর নিয়ে যাবে। সে জানে, যেতেই হবে।

তবু এবারের ঈদে না এসে পারা গেলোনা। বাপটা অসুস্থ, মা নাকি সুরে চব্বিশ ঘন্টাই কাঁদে। সে এসেছে, কিন্তু নিজেকে কিছুতেই এদের আপন কেউ মনে করতে পারছে না। বুয়েট এর লাল দালান, ক্লাসে প্রতিযোগিতা, ছাত্রী নাতাশার বাড়িতে দামি নাস্তা ওইগুলো তার পৃথিবী, এগুলো নয়। কিছুতেই এগুলো নয়।

” এই কেমন আছ? ” রাবেয়ার মুখ আগের মতই উজ্জ্বল। তবে সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত নারীসুলভ কমনীয়তা। কত সুন্দরী নারী দেখা হল এ কয় বছরে, কই, কেউ তো রাবেয়ার মত না! শফিক ভাবল।

” বাসায় এসো না বিকেলে? ” রাবেয়া আহ্লাদি মেয়ের কণ্ঠে আবদার করে যেন, ” বাবা সবসময় তোমার কথা বলে। বলে, একে দেখে সবারই শেখার আছে অনেকে। কোত্থেকে কোথায় চলে যাবে, দেখবি তোরা, বলে রাখছি।” তারপর আবার হাসি।

এই যে ড্রয়িং রুম, এই যে রিনিঝিনি পর্দার ফাঁক থেকে রাবেয়ার চা নিয়ে আসা, সিনেমার বড়লোকদের মত রাবেয়ার বাবার মুখে চুরুট… সেই সাথে রাবেয়ার অতিরিক্ত কমনীয়তা… এইসব আমার হতে পারত। কিন্তু হয়নি… কেন…. আমার পলেস্তারা ক্ষয়ে যাওয়া ঘর বলে? আমার বাবা পিওন বলে? কিন্তু ব্যক্তি আমার কি নেই?…

শফিকের ভাবনায় ছেদ পরে, রাবেয়ার বাবা কথা বলছেন, ” তোমাকে আমি খুব পছন্দ করি, বুঝলে? নিজেকেই দেখতে পাই তোমার মধ্যে। সেই সংকল্প, সেই রেগে থাকা চোখ… তুমি অনেকদূর যাবে দেখো!”…

আবার সেই অনেকদূর যাবার কথা। শফিক দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

চলবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here