এক_বৃষ্টিস্নাত_সন্ধ্যা ৩৬.

#এক_বৃষ্টিস্নাত_সন্ধ্যা
৩৬.
#WriterঃMousumi_Akter

বাসায় একটা ছোট সদস্য থাকলে জীবন নাজেহাল করেই ছাড়বে।ছাড়বে মানে ছাড়বেই মান ইজ্জত সব পানিতে ধুয়ে দিবে।এই দিকে আমার বই পড়তে বসা মানে প্রথমে বিশাল মনোযোগ দিয়ে চেয়ার টেবিল এ গিয়ে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া বইয়ের দিকে। এক ঘন্টা বই পড়ার পর ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিশাল টাইম স্ট্যাডি করেছি আমি মাত্র ৫ মিনিট হয়েছে।তারপর চেয়ারে এক পা তুলে দিয়ে বই পড়ি ৫ মিনিট পরে দুই পা তুলে এক পা ভাজ করে বসি।তার তিন মিনিট পর বিছানায় বই নিয়ে বসে পড়া শুরু করি।তার তিন মিনিট পরে উপুড় হয়ে সুয়ে পড়া শুরু করি।তারপর উপুড় অবস্থায় দুই পা হাঁটু ভাজ করে উপর দিকে দিয়ে নাচাতে নাচাতে বিশাল ভাবে মনোযোগ দেই পড়াতে।এরপর উপুড় থেকে চিৎ পটাং হয়ে দুই হাতে বই উপরে তুলে পড়তে থাকি।এর মাঝে একাধিক বার ফোন চেক করি।এইভাবে ভয়ংকর মনোযোগ দেওয়ার পর দেখি ২০-৩০ মিনিট ও হয় নি।তারপর মনে হয় যায় একটু রিয়ার সাথে গল্প করে আসি ৫ মিনিট পরেই এসে পড়তে বসবো ২ ঘন্টা অতিক্রম হলেও আর খেয়াল থাকে না।আজ ও সুয়ে সুয়ে বই পড়ছি সাজ সকালে মা জননী খুন্তি হাতে হাজির।বইয়ের ফাঁকে তাকিয়ে দেখি আম্মুর হাতে খুন্তি।দুঃখি দুঃখি মুখ করে বললাম কি হয়েছে আম্মু।আম্মু রেগে মেগে বললো,তোকে আর কতবার বলবো সুয়ে সুয়ে বই পড়লে লেখাপড়া সুয়ে যায়।দুইদিন পর এক্সম একবার চেয়ার ছেড়ে বিছানা বিছানা ছেড়ে রিয়া। শোন দিয়া রাত দিন চব্বিস ঘন্টা যেনো তোর সামনে বই দেখি আমি।রেজাল্ট ভালো না হলে আমার এত ফাউ টাকা নেই হাবিজাবি রেজাল্ট এর পেছনে টাকা নষ্ট করবো।রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিবো সোজা কথা। আম্মুকে বললাম আম্মু মামিকে দেখেছো বিহান ভাই এর সাথে কত সুন্দর ভাবে কথা বলে।জীবনে একটা বকা ঝকা দেয় না।উনার একটা ছেলে তোমার ওতো একটায় মেয়ে তাইনা আম্মু।আম্মু আরো জোরে বাজখাই কন্ঠে বলে উঠলো বিহান এর পা ধোয়া পানি খাওয়ার যোগ্যতাও তোর নেই।বিহান সারাজীবন ঘরে দরজা লাগিয়ে বই পড়ে।বাড়িতে আত্নীয় এলে সবাই আড্ডা দেই আর বিহান কে অনুরোধ করা লাগে একটু বাইরে আসার জন্য।ছেলেটাকে কোনদিন বলা লাগে না বই পড়তে বস।কখনো দেখেছিস তোদের মতো বায়না ধরতে।বিহান ঘরের দরজা লাগিয়ে বই পড়ে পড়ার সময় ফোন অফ করে রাখে তুই বিহানের সাথে নিজের তুলনা করছিস।তুই তো বাড়িতে এক মগ পানিও ঢেলে খাস না আর বিহান ছেলে মানুষ ওর মায়ের হাতে হাতে কাজে সাহায্য করে।এই জেলায় প্রথম হয়েছিলো আমার ভাতিজা তার সাথে নিজের তুলনা করছিস।কানে খাতার কাগজ ছিড়ে ভরে রাখলাম আর চেয়ারে গিয়ে সভ্য মেয়ের মতো পড়তে বসলাম।

বিহান ভাই আগামিকাল ঢাকা চলে যাবেন।আম্মু তার ভাতিজার জন্য গরুর ভুড়ি আর ছিটা রুটি বানাচ্ছেন।আম্মুর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিটা রুটি খাচ্ছি আমি।এমন সময় আয়রা একটা কাগজ এনে রান্নাঘরের ফ্লোরে মেলে অ,আ পড়ছে।হুট করেই আম্মুর নজরে গেলো কাগজ টা।আম্মু কাগজ টা তুলে দেখে বড় অক্ষরে লেখা দিয়া পিচ্চি বউ রাগ করে না।”এটা ছিলো গতকাল বিভোর ভাই এর দেওয়া সেই চিরকুট টা।আম্মু চিরকুটের এক পাশে দিয়া পিচ্চি বউ রাগ করে না দেখেই আম্মু অপরপাশ উলটে ফেললো।গড়গড় করে পুরো চিঠিটা পড়ে নিলো।বিছানায় যে বই পড়ছিলাম সেই বই এর মলাটের মাঝে রাখা ছিলো এটা।এই আয়রা বিচ্চুটা আমার মান সম্মান কিছুই রাখলো না অবশিষ্ট। মনে চাচ্ছে আয়রা কে কড়াই তে দিয়ে ভাজি করি।আম্মুর মুখে কোনো কথা নেই চোখ মুখ রাগে ছুটে যাচ্ছে।আম্মুর হাঁপানি ও শুরু হয়েছে দ্রুত একটা প্রেসারের ওষুধ খেয়ে রিয়ার আম্মুকে ডাকলো ছোটো একটু রান্নাঘর টা দেখ তো।বলেই আমার হাত ধরে হ্যাচটা টানে আমার রুমে নিয়ে গেলো।আম্মুর প্রেসার হাই হয়ে গিয়েছে তার মেয়েকি কাউকে বিয়ে করে ফেলেছে।

আম্মু আমাকে বলছে,এইজন্য এত কষ্ট করে মানুষ করছি তোদের আমি।তোর বাবা জানলে স্টোক করবে দিয়া।এত বড় একটা ব্যাপার তোর বাবা মেনে নিতে পারবে না।তোকে প্রাণের থেকেও বেশী ভালবাসে তোর বাবা।আমি ভাবতেও পারিনি আমার মেয়ে এমন কিছু করবে।তোর কি বিয়ের বয়স হয়েছে দিয়া।কাউকে পছন্দ থাকলে আমাকে বলতে পারতি তো দিয়া।ছেলেটা কে দিয়া।কোনো খারাপ ছেলের পাল্লায় পড়লে বুঝবি।কখন বিয়ে করলি কে কে জানে এই বিয়ের কথা।আমাদের মান সম্মান এভাবে নষ্ট করতে পারলি।আল্লাহ পৃথিবীর দুটো অসভ্য বাচ্চা আল্লাহ আমাকে কেনো দিয়েছে, কি পাপ করেছিলাম।আম্মু অন্য দিন সামান্য কারনে অনেক বকে।আজ অনেক বড় সিরিয়াস ইস্যুতে আম্মু বকছে না।আমি ভেবেছিলাম বটি দিয়ে কেটে ফেলবে আমাকে।কিন্তু এই প্রথম আম্মু বকার পরিবর্তে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলছে।

“আম্মুর দিকে তাকিয়ে বললাম এসব কি বলছো আম্মু।আমি এমন কিছুই করি নি।”

“চুপ বেয়াদপ মেয়ে।আমি কি তোকে এই শিক্ষা দিয়েছি। কথায় কথায় মিথ্যা বলা শিখেছো তুমি।ছেলেটার নাম ঠিকানা দাও।মানুষ জন জানার আগে ডিভোর্স করিয়ে আনি।”

“আম্মু জাস্ট একটা চিঠি ই তো।কত কি ভাবছো তুমি।”

“একটা কথা ও বলবে না তুমি দিয়া।ওই আলিপ এর সাথে বিয়ে করিস নিতো আবার।আমি এই জীবনে তোর মেজ কাকির বংশের কাউকে মেনে নিবো না।তোর কাকির থেকে উনার বোন আরো বেশী খারাপ।যদি ওই আলিপের সাথে কিছু হয়ে থাকে আমি ত্যাজ্য করে দিবো তোকে।”

“ছিঃআম্মু কিসব বলো।তুমি এত সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছো ক্যানো?”

“আম্মু চিঠিটা আমার সামনে ধরে বললো সিরিয়াস হবো না। ভাজ্ঞিস দুই এক কলম লেখাপড়া জানি না হলে তো আমাকে ভাঙ্গিয়ে চুরিয়ে খেতিস তুই।এই চিঠিতে ক্লিয়ার লেখা সদ্য বিবাহিত হাজবেন্ড।এই চিঠির মানে কি বোঝায় দিয়া।যেখানে তোর ভাই ছেলে মানুষ এগুলা করবে সেখানে তুই মেয়ে হয়ে এগুলা করছিস।”

“আম্মু ভাইয়া করলে মেনে নিবে।”

“একদম ই চুপ ছেলেটা কে?বল কে?”

“লজ্জায় মারা যাচ্ছি আমি।চিঠিতে যেভাবে লেখা আম্মুকে বোঝানোর মতো কোনো উপায় আমার নেই।কি করবো এখন আমি।আম্মুর তো প্রেসার ই বেড়ে গিয়েছে।”

”এমন সময় গ্রে কালার এর গ্যাবাডিং, কফি কালার এর শার্ট পরা, শার্টের হাতা গোটানো,হাতে ব্লাক ফিতার ঘড়ি,এক হাত প্যান্টের পকেটে গুজে আরেক হাতে ফোন চাপতে চাপতে রুমে প্রবেশ করলেন বিহান ভাই।একবার উনার দিকে তাকিয়েই মুগ্ধ আমি।সৃষ্টিকর্তার আপন হাতে সৃষ্টি উনি।আমাকে বার বার উনার প্রতি উইক করতেই কি নতুন রূপে নতুন সাজে আসেন উনি।এই মুহুর্তে টেনশনে জীবন বের হয়ে যাচ্ছে আমার। এই আয়রা কে আজ যে কি করবো আমি নিজেই জানিনা।আয়রার বাচ্চা আয়রার জন্য আজ এই অশান্তি আমার।”

“বিহান ভাই রুমে প্রবেশ করেই বলেন ফুপ্পি কি হয়েছে তোমাকে এতটা চিন্তিত লাগছে কেনো?”

“বিহান আমার সব শেষ হয়ে গিয়েছে বাবা।এত চোখে চোখে রেখেও আমি কিছুই করতে পারলাম নাহ।তুই যেভাবেই হোক বের কর কোন ছেলের সাথে দিয়া মেলামেশা করছে।আর দেখ আর্মি,পুলিশ কোনো ছেলে পাস কিনা।আমি ওর বিয়ে দিয়ে দিতে চাই।আম্মুর কথা শুনে বিহান ভাই আমার দিকে তাকালেন।আমি মুখ পেচার মতো করে বসে আছি।বিহান ভাই ভাবুক ভাবে প্রশ্ন করলেন ক্যানো ফুপ্পি কি হয়েছে।আম্মু খুব ই আহত কন্ঠে বলে উঠলো হতে আর বাকি নেই কিছুই বাবা।ভাল ভাবে জিজ্ঞেস করে দেখ বিয়ে শাদী করে ফেলছে কিনা তোর বোন।”

“বিহান ভাই অদ্ভুত ভঙ্গিমায় বলে উঠলেন বোন।যেনো বোন কথাটায় এলার্জি উনার প্রচুর।”

আম্মু বললো হ্যাঁ দিয়া।এই দেখ চিঠি পড়ে দেখ তাহলেই সব বুঝবি।বিহান ভাই যে এই চিঠিটা দেখবেন তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না উনি।চিঠিটা হাতে নিয়ে দেখেই উনার চোখ কপালে।নিজের হাত কপালে দিয়ে কপাল চাপড়াতে লাগলেন।কপাল থেকে কয়েক ফোটা ঘাম মুছে ফেলে বললেন আচ্ছা এই কেস। ফুপ্পি তোমার মেয়েকে বিয়ে দিয়েই দাও সেটাই ভাল হবে।আর হ্যাঁ আর্মি ছেলে দেখেই দাও ওরা খুব বউ ভক্ত হয়।অন্য জায়গা দিলে এক দিন ও টিকবে না।তোমার মেয়ে যে বলদ এর বলদ স্বামি স্ত্রীর ব্যাক্তিগত কথোপকথন গোপন রাখতে পারবে না।তোমার জামাই যদি একটা পারসোনাল কথা বলে টাউনের সবাই জেনে যাবে।কোনো রাগি ছেলে হলে দিয়ার পিঠে বস্তা বেঁধে পিটাবে।ওর জন্য মার ফরজ হয়ে গিয়েছে।কথা গুলো বলে বিহান ভাই ভয়ংকর রাগি মুডে আমার দিকে তাকালেন।রাগে উনার চোখ মুখ ছুটে যাচ্ছে।এক্ষুণি কি পানি দিয়ে গুলিয়ে খেয়ে ফেলবেন আমাকে।অনেক দিন উনার এমন রাগ দেখিনি আমি।

আম্মু চিন্তিতে হয়ে বিহান ভাই কে বললেন বিহান আগে ওর কাছে শোন বিয়ে কি সত্যি করেছে কিনা।তারপর একটা আর্মি দেখে বিয়ে দিয়ে দে বাবা।

আম্মুর দিকে তাকিয়ে বললাম আম্মু দুনিয়ায় কি আর ছেলে নেই এই আর্মি,পুলিশ কেনো জানতে পারি?সবার পছন্দ এই জব কেনো?

আম্মু বললো,তারা বিয়ে করে কিনা সন্দেহ?তোমার মতো অশিক্ষিত মেয়েকে কি একজন বিসিএস ক্যাডার এসে বিয়ে করবে।

এমন সময় বাবার ডাকাডাকিতে আম্মু বেরিয়ে গেলো।বিহান ভাই আম্মুর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ছিলো এই সুযোগে এক দৌড়ে ওয়াশরুমে গিয়ে ঢুকে জোরে দরজা লাগিয়ে দিলাম।দরজার ঠাস শব্দে বিহান ভাই ঘুরে দাঁড়ালেন।বিহান ভাই রিতীমত অবাক বনে গেলেন।আমি ওয়াশ রুমের দরজার সাথে পিঠ বাঁধিয়ে বুকে ফু দিয়ে বললাম যাক বাবা বাঁচলাম।আজ আর ওয়াশ রুম থেকে বেরোচ্ছি না আমি।প্রয়োজনে আজন্ম কাল এই ওয়াশ রুমে থেকে যাবো তবুও উনার রাগের আগুণে ভস্ম হয়ে মরতে চাই না।

“বিহান ভাই দরজায় টোকা দিয়ে বললেন,বেরিয়ে আয় এক্ষুণি আজ তোর কপালে কষ্ট আছে।ওয়াশ রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়েছিস কেনো?ওয়াশ রুমে এখন কি তোর।”

“ওয়াশ রুমে মানুষ কি করে আপনি জানেন না।”

“জানিনা আমি দেখতে চাই তুই কি করছিস।”

“নাউজুবিল্লাহ বিহান ভাই আপনি দেখবেন।ছিঃবিহান ভাই ছিঃ।আপনার লজ্জা করবে না।”

“দাঁতে দাঁত চেপে বললেন,, তোর এইসব অভিনয় আমি বুঝিনা তাইনা।ওকে আমি ওয়েট করছি তুই তোর কাজ সেরে বেরিয়ে আয়।”

“ইয়ে বিহান ভাই আপনি আজ চলে যান। আমার অনেক লেট হবে।”

“আচ্ছা! কত লেট হবে তোর।”

“এই ধরেন ৪-৫ ঘন্টা মতো।”

“তাহলে এক কাজ কর বালিশ আর লেপ কাঁথা নিয়ে যা ওখানে ঘুমিয়ে পড়িস।”

“ইয়ে আপনি যান বিহান ভাই আমার ডায়রিয়া হয়েছে হঠাত।তাই আজ আত বেরোনো হবে না।”

“ষ্টুপিড কোথাকার।এগুলা বলে ভাবছিস বেঁচে যাবি।ওকে ডাক্তার কে কল দিচ্ছি তোকে স্যালাইন দিতে হবে।”

স্যালাইন শুনে আবার চিন্তায় পড়ে গেলাম।অযথা ফুটা নিতে হবে।এইগুলা তো মারাত্মক ভয় লাগে আমার।কতক্ষণ ই বা অযথা বসে থাকা যায়।নিরুপায় হয়ে সাওয়ার ছাড়লাম।পানিতে ভিজতে ভিজতে হাত পায়ে টাসকি লেগে গিয়েছে।অনেক্ষণ বাইরে থেকে কোনো সাড়াশব্দ নেই।মনে মনে ভাবলাম অধৈর্য হয়ে বিহান ভাই চলে গিয়েছেন।দরজা একটু খুলে উঁকি দিয়ে দেখি বিহান ভাই ভেতরে নেই।ড্রেস খুলে গোলাপি কালারের টাওয়াল পেচিয়ে বাইরে এসেই দরজা লাগিয়ে দিলাম।আহা!শান্তি আপদ টা বিদেয় হয়েছে।সমস্ত শরীরে বৃষ্টির ফোঁটার ন্যায় পানি লেগে আছে আমার।টাওয়াল হাঁটু পর্যন্ত পড়েছে।দরজা লাগিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখি বিহান ভাই বুকে হাত বেঁধে দাঁড়িয়ে আছেন।উনাকে দেখে এক্ষুণি বেঁহুশ হবার উপক্রম আমার।বুক থেকে হাঁটু অবধি জাস্ট টাওয়াল পেচানো আমার।এমন খোলা মেলা ভাবে উনার সামনে আমি।জন্মের পর এমন লজ্জা আগে পাই নি আমি।একবার নিজের দিকে তাকাচ্ছি তো আরেকবার উনার দিকে তাকাচ্ছি। উনাকে দেখে চিৎকার মেরে আবার ওয়াশ রুমের দিকে দৌড় দিতেই উনি আমার হাত টেনে ধরে বললেন,,এখন পালিয়ে লাভ কি যা দেখার তো আগেই দেখেছি।প্লাজু,কামিজ এগুলা চেঞ্জ করার আগে তো দরজা খুলেই রাখলি।টাওয়াল প্যাচানো তো নিজ চোখেই দেখলাম।তো এখন লজ্জা পেয়ে লাভ আছে মিসেস বিহান।

এই মুহুর্তে আমার মনে হচ্ছে এর থেকে মরণ ভালো ছিলো আমার।সব সময় কি এগুলা আমার সাথেই হতে হয়।এখন কি হবে আমার।উনি ই বা কি করবেন আমার সাথে।

চলবে,,

(আজ বড় পর্ব দিয়েছি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here