মনের_অন্দরমহলে পর্ব ২১

মনের_অন্দরমহলে পর্ব ২১
#আনিশা_সাবিহা

চোখের পলক পড়ছে না আমার। আমি যেন এক অবিশ্বাস্য কথা শুনে ফেলেছি। অদ্ভুত হলেও সত্যি যে আয়াশ আমায় ‘আই লাভ ইউ’ বলেন নি। শুধু বুঝিয়ে দিয়েছেন উনি আমায় ভালোবাসেন। তবে কখনো মুখে বলেননি। এটা উনার প্রথম স্বীকারোক্তি! এভাবে রেগে কেউ কাউকে আই লাভ ইউ বলে কিনা জানা নেই। তবে এর আগেও আমি নীলাদ্রের মুখ থেকে আই লাভ ইউ শব্দটা শুনেছি। কখনো আমার এতোটা সুন্দর লাগেনি। আয়াশের বলা এই তিনটে শব্দে যেন কিছু মিশিয়ে দেওয়া রয়েছে!

–“আবার যদি আমার এই ভালোবাসাকে দয়া বলেছো তাহলে কিন্তু আমি তোমায় খুন করে ফেলব আনিশা!”

উনার রাগান্বিত কন্ঠে বলা হুমকি দেওয়া কথা শুনে ঘাবড়ে গেলাম। তবুও মনে সাহস রাখলাম। আমি ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বললাম…..
–“কিন্তু নিজের কানকে কেউ অবিশ্বাস করবে কি করে? সেদিন কি আপনি ভুল বলেছিলেন নাকি আমার কান ভুল ছিল?”

–“তুমি কি শুনেছো না শুনেছো আই রিয়েলি ডোন্ট নো। এটা শুনে রাখো! আমি তোমার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি সেই আড়াই বছর আগে থেকেই। এই আসক্ত না কোনোদিন কাটবে আর না আমি কাটতে দেব। এর অন্যথা হলে আমি তোমায় মেরে ফেলতে পিছপা হবো না।”

আমার বাহু ধরে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বললেন উনি। আয়াশের অন্য কোনো কথা আমার কানে আসেনি। শুধু কানে বাজছে আড়াই বছর শব্দটি। উনি কি বোঝাতে চাইলেন আমায়? আমার মাথাটা ঝিম ধরে গেল। মুখ খুলে ধীর গলায় বললাম…..
–“আড়াই বছর? হেয়ালি করছেন কেন আমার সঙ্গে?”

–“আমি তোমার সঙ্গে কোনো হেয়ালি করিনি। আমি তোমায় বলব ভেবেছিলাম। আজকেই বলব ভেবে রেখেছিলাম। কিন্তু তুমি আমাকে সুযোগই দিচ্ছো না। আমি তোমার এতোটাই অবহেলিত? কে তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলো তো? ওই নীলাদ্র? নাকি অন্যকেউ?”

আমি অধৈর্য হয়ে বললাম…..
–“নীলাদ্র নীলাদ্র করে প্রসঙ্গ পাল্টাবেন না। আমি আমার প্রশ্নের উত্তর চাই। আপনি আরেকদিনও এই একই কথা বলেছিলেন। আপনি আমায় অন্ধ হওয়ার আগে থেকে চিনতেন। আমি আড়াই বছর আগে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলাম। কিন্তু আপনার সাথে আমার কখনো দেখাই হয়নি! তাহলে কি করে আড়াই বছর আগের কথা তুলছেন?”

আয়াশ হালকা হাসলেন। আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন…..
–“রাতের পরিবেশ! পাশে তোমার এতো হ্যান্ডসাম হাজবেন্ড দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গে একটু হেঁটে হেঁটে কথা বললে আই থিংক কোনো প্রবলেম হবে না।”

–“আমি আপনার থেকে কি জানতে চাইছি আর কি বলছেন? আপনি কি প্রসঙ্গ পাল্টানোর চেষ্টা করছেন?”

–“আহা! প্রসঙ্গ পাল্টাবো কেন? আমি কি কোনো চুরি করেছি নাকি? চোর তো তুমি! তোমার চুরির গল্প শোনাই এসো!”

আজ বোধহয় আয়াশ আমার মাথাটাও পাগল করার প্লানিং করে এসেছেন। আমি দপ করে আগুনের মতো জ্বলে উঠে বললাম…..
–“আপনি আমাকে চুরির বদনাম দিচ্ছেন? আমি কোনো কালেই চোর ছিলাম না। নির্ঘাত আপনার সঙ্গে কোনো চোরের দেখা হয়েছিল। যার সঙ্গে আপনি আমাকে গুলিয়ে ফেলছেন। ছি কি চিপ চিন্তাভাবনা আপনার! শেষমেশ কিনা চোরের সঙ্গে আমাকে?”

আয়াশ শব্দ করে হেসে আমার চুল টেনে দিয়ে বললেন…..
–“তুমি তো মহা চোর! চোরদের রানী। যে সবসময় মন চুরি করে বেড়ায়।”

এবার আমি আটকা পড়ে গেলাম নিজের কথার বেড়াজালে। কপাল চাপড়াতে ইচ্ছে করল আমার। উনি কি বললেন আর আমি কি ভাবলাম। এসব সাইডে রেখে আয়াশ কন্ঠে উনার দিকে মনোযোগ দিলাম। আমাদের পা ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। বাতাসের তীব্র বেগ সবটা এলোমেলো করে দিয়ে যাচ্ছে।

–“দিনটা কোনদিন ছিল আমার ঠিক মনে নেই। সেদিন আমি কারো এসিস্ট্যান্ট লইয়ার ছিলাম। একটা কেসের প্রমাণ খুঁজতে অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছিল। ঢাকা শহরে ভরা ট্র্যাফিক জ্যামে আটকা পড়ে যায় আমি। গাড়িতে অজস্র আঘাত করে গাড়ির জানালা খুলে দিই। হঠাৎ কানে আসে একটা মেয়ের চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ। সেদিন এতোটা স্ট্রেস ছিল যে ভেবেছিলাম গাড়ি থেকে তোমার মতো হৈহৈ করা মেয়েকে দেব কয়েকটা ধমক। উৎকন্ঠা হয়ে তাকাতেই ‘বিরক্তি’ নামের জিনিসটাই উবে গেল। বেশ খানিকটা দূরে ফুটপাতের ওপরে একটা হলুদ রঙের ড্রেস পড়ে চারটে বড় বড় ছেলেকে ঝেড়ে চলেছে একাধারে। মেয়েটা বয়সে বেশ ছোট্ট। এইট কিংবা নাইনে পড়ত। নিজের ওড়না টুকুও সামলাতে যেই মেয়ে হিমশিম খাচ্ছে সেই মেয়ে কিনা এতো বড় বড় ছেলেদের ঝাড়ছে ভাবা যায়? বেশ ইন্টারেস্ট নিয়ে ঘটনাটা দেখছিলাম। মেয়েটা বড্ড ঝগড়ুটে ছিল। কি বলছিল জানো?”

–“কি বলছিল?”
অতি আগ্রহের সঙ্গে বললাম আমি। যদিও আমি ঘটনাটা জানি। তবুও লোকটার মুখ থেকে শোনার জন্য মনটা আন্দোলন শুরু করেছে।

–“সে বলছিল, ‘দেখতে তো মহিষের মতো! আমাদের মতো সুন্দরি মেয়েদের দিকে নজর দিস লজ্জা লাগে না? ইয়া বড় বড় চুল রেখে নিজেদের মেয়ে প্রমাণ করতে চাস নাকি? আর আমার ওড়না ধরে টানলি কোন সাহসে? আমি এক্ষুনি পাবলিক ডেকে তোদের হাত যদি না ভেঙেছি! দেখ শুধু।’ এতটুকু বলেই জোরে চিৎকার দেওয়ার আগে ওর বান্ধবীরা ওকে মানা করে। ওদের আর কোনো কথা আমার কানে আসেনি। বরণ আমি কানে নিইনি। আমি সেদিন মেয়েটাকে দেখতে বড্ড ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম সেদিন। কোমড়ের একটু আগ পর্যন্ত চুল দুলছিল তার। ছোট একটা চেহারা! বিকেলের রোদের আলোতে চোখমুখ কুঁচকে যাচ্ছিল তার। সেদিন খুব হেসেছিলাম। সেই চাঞ্চল্যকর মেয়েটা আর কেউ নয় আমার নিশাপাখি ছিল!”

আমার সবটা মনে পড়েছে। এই ঘটনা কি ভোলা যায় নাকি? এই ঘটনার সঙ্গে আমার এক্সিডেন্ট আর আমার অন্ধত্ব দুটোই জড়িয়ে আছে। একটু কেঁপে উঠে বললাম…..
–“তারপর কি হলো?”

আয়াশ এবার কিছুটা গম্ভীর হয়ে গেলেন। এতোক্ষণ যেন উনি বেশ আনন্দের সঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন। কিন্তু গাম্ভীর্যের কারণ খুঁজে পেলাম না আমি।
–“গাড়ির ট্র্যাফিক জ্যাম খুলতেই প্রচন্ড হর্ন বাজানো শুরু হলো। একপ্রকার বিরক্ত হয়েই গাড়ি সাইড করে নিচে নামলাম আমি। কিন্তু তুমি মূহুর্তেই কোথাও হাওয়া হয়ে গেলে। আশেপাশে খুঁজেও তোমায় পেলাম না। তোমার ওপর এক পাহাড় রাগ জেগে উঠল। তুমি আমার সামনে থেকে যাওয়ার সাহস কোথা থেকে পাও?”

–“আমি কি করে জানব আপনি আমায় দেখিলেন? আমি সেদিন বাড়ি চলে গিয়েছিলাম। মামার বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতাম। তাই মামার বাড়িতে চলে গিয়েছিলাম।”

–“একটা কথা কি জানো? তোমার সঙ্গে আমার প্রথম আর দ্বিতীয় সাক্ষাৎ দুইবারই হলুদ রঙের ড্রেসে ছিলে। আমি বুঝি না তুমি কি আমায় মার্ডার করার চেষ্টায় থাকো সবসময়?”

আমার হাত একটু জোরে চেপে ধরে বলেন আয়াশ। আমি ভ্রু কুঁচকে উত্তর দিলাম…..
–“আপনাকে মেরে জেলে যাবার কোনে শখ নেই আমার। একটা কথা বলুন আপনি যেহেতু আমায় আগেও দেখেছেন বলেননি কেন?”

আয়াশ দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে বললেন…..
–“তুমি জানো আমার ভুলে যাওয়ার রোগ আছে। সেদিন অতিরিক্ত গাড়ির হর্নে আমার অস্থির লাগা শুরু করে। মাথাব্যাথা আরম্ভ হয়। সেদিন ওই অবস্থায় আমার কাছে ডক্টরের কোনো ইনজেকশন ছিল না। তাই তাড়াহুড়োতে গাড়ি নিয়ে আসতে ছোটখাটো এক্সিডেন্টও করে বসি। তারপর সবটা ভুলে যাই। তোমার কথাও মনে থাকে না আমার। মাঝে মাঝে যতটুকু মনে পড়েছে সবটা উড়িয়ে দিয়েছি। কারণ তুমি নিতান্তই ছোট একটা মেয়ে ছিলে। কে জানতো এই বাচ্চাটাই আমার বউ হবে?”

–“সে তো আপনি আমায় জোর পরে বানিয়েছেন।”
আনমনে বলে ফেললাম আমি। আনমনে বলার কারণ আয়াশের ইনজেকশনের ব্যাপার। যা কয়েকদিনের জন্য ভুলতে বসেছিলাম। এটা কেমন ইনজেকশন সেটাই মাথায় আসছে না যেটার জন্য জ্ঞান হারানোর আগের স্মৃতি মানুষ ভুলে যেতে পারে। অদ্ভুত! কৌতুহল দমন করতে না পেরে আমি বললাম…..

–“আচ্ছা কোন ডক্টর আপনাকে ওই ইনজেকশন সাজেস্ট করেছে বলুন তো?”

–“হঠাৎ এই প্রশ্ন?”

আমি মিন মিন করে বললাম….
–“না মানে নিশ্চয় খুব ভালো ডক্টর!”
–“হ্যাঁ। আমার ফ্রেন্ডের বাবা। খুব ভালো ডক্টর। আমি যখন অতিরিক্ত ডিপ্রেসড হয়ে পড়েছিলাম যখন আমি কোথাও শান্তি পেতাম না তখন আমার ওই ফ্রেন্ডের সঙ্গে পরিচয় হয়। ও আমাকে সাজেস্ট করে। আমি না চাইলেও একদিন ইনজেকশন নিয়ে বড্ড শান্তি পাই স্বস্তি পাই। তখন থেকেই আমি ইনজেকশন নিই।”

–“মানে আপনি না জেনেই ওসব আজেবাজে ইনজেকশন নিয়ে নেন? কখনো ওই ডক্টরের সঙ্গে দেখা করেছেন?”

–“না তো!”
স্বাভাবিক কন্ঠে উত্তর দিলেন আয়াশ। যার কারণে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। একজন লইয়ার হয়ে কি করে এতোটা বোকামি করতে পারেন উনি? আমি শান্ত সঙ্গে বললাম…..
–“আমাকে নিয়ে যাবেন ওই ডক্টরের কাছে?”

–“উনি তো চোখের ডক্টর নন নিশাপাখি! তুমি গিয়ে কি করবে?”

উনার প্রশ্নের জবাবে আমি রেগে বললাম…..
–“চোখের জন্য যাব নাকি? অন্য কারণ আছে।”

–“কি কারণ? এই এক সেকেন্ড! আমি তোমার সম্পর্কে মোটামুটি সব জানি। কিন্তু একটা বিষয় আমার কাছে ক্লিয়ার না। তুমি অন্ধ হলে কি করে?”

হাঁটা থেমে গেল আমার। মনে পড়ে গেল আমার সাথে ঘটে যাওয়া সেই বিষাক্ত ঘটনা! নিজের চোখের সামনে ভেসে উঠল সেদিনের ঘটনা। ভয়ে গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেল। এক পর্যায়ে কাঁপতে শুরু করলাম।
–“ও….ওই ছে…ছেলেগুলো….!

আয়াশ আমায় একহাত দিয়ে গভীর ভাবে আগলে নিলেন। আমায় আশ্বাস দিয়ে বললেন…..
–“আমি তোমার কাছেই দাঁড়িয়ে আছি। ওই ছেলেগুলো কি? ওরা কি করেছিলো তোমার সাথে? আমায় বলো!”

–“ওই ছেলেগুলোর জন্য আজ আমি অন্ধ! সেদিন তো ওরা কোনোভাবে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিল। কিন্তু পরেরদিন একই রাস্তায় আমায় আবার বিরক্ত শুরু করে। আমায় সহ আমার বন্ধুদেরও। এমনকি থ্রেটও দেয়। আমি সাহস নিয়ে পুলিশের কাছে যাই আর কমপ্লেন করি। পরে হয়ত তাদের ধরেছিল পুলিশ। তারপরের দিনই……! (একটু থেমে) কোচিং করে নিজের বাড়িতে যখন ফিরছিলাম তখন মেইন রাস্তা থেকে অন্য এক রাস্তায় আসি। যেখানে ফুটপাত ছিল না। একটা গাড়ি আমায় ধাক্কা মারে আচমকা। আমি শুধু গাড়ির সামনের গ্লাসে ওদের দেখেছি। তবে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছিটকে পড়ি আমি। যখন জ্ঞান ফিরে আমি উঠে বসি। আমার চোখের সামনে চারিদিকে অন্ধকার ছিল। সকলকে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে লাইট জ্বালাতে বলছিলাম। তারপরই জানতে পারি আমি অন্ধ হয়ে গিয়েছি। কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি আমি। পরে বাবা অনেক চেষ্টা করেছিল চোখের অপারেশনের জন্য। কিন্তু টাকা ছাড়া তো এই পৃথিবীতে কিছুই হয় না। তাই হয়নি। বাবা আমায় নিয়ে কক্সবাজার চলে আসে। তখন থেকেই আমার এই অন্ধের জীবন শুরু হয়।”

কথাগুলো বলতে বলতে গাল বেয়ে পানি পড়ে গেল। তৎকালীন আমায় আয়াশ নিজের সঙ্গে একেবারে মিশিয়ে নিলেন। আমি আজ কিছুই বললাম না। আজ আমি সত্যি অর্থে পাশে চাইছি উনাকে। তবে পরিবর্তে উনাকে জড়িয়েও ধরলাম না আমি। আয়াশ সেই অবস্থাতেই বলে উঠলেন…..
–“আই প্রমিস! তুমি তোমার দৃষ্টি ফিরে পাবে। আর ওই ছেলেদের তো আমি যেকোনো মতে বের করতে চাই। আমিও তো দেখি ওরা মায়ের সন্তান!!”

আমি একাধারে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে কেঁদে চলেছি। আমার থুঁতনিতে হাত রেখে আমার মুখ তুললেন আয়াশ। আমি চোখ বন্ধ করে রয়েছি। আমার ঠোঁটে হঠাৎ করেই নিজের ঠোঁটের স্পর্শ দিতেই কান্না এক সেকেন্ডেই থেমে গেল। চোখ খুলে গেল। আয়াশ হালকা হেসে বললেন…..
–“কান্না থামানোর সহজ আইডিয়া!”

–“নির্লজ্জ লোক!”

আয়াশ এবার আমায় ঘুরিয়ে পেছন দিক থেকে পেঁচিয়ে ধরলেন। আমার ঘাড়ে আলতো করে কয়েকটা পরশ এঁকে দিয়ে বললেন…..
–“এখন আমি শুধু তোমার এই বিষাদ কাটাতে চাই। এইভাবে নিজের বার্থডে স্পয়েল করবে না। তাও ওই ব্লাডি রাসকেল গুলোর কথা ভেবে। সো স্মল বার্ড? তোমার জন্য কি করতে পারি এখন?”

আমি বেশ কিছুক্ষণ নিরব রইলাম। আসলে ভাবছি উনাকে কি বলা যায়। ভাবা সম্পূর্ণ হতেই স্ট্রেটকাট বলে দিলাম…..
–“আপনি আইনজীবী হিসেবে ভালো মানুষের পক্ষে দাঁড়াতে পারবেন?

চলবে…….

[বি.দ্র. ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। পরবর্তী পর্বে গল্পের মোড় ঘুরে যাবে। আর কাল গল্প নাও দিতে পারি। কেউ অপেক্ষা করবেন না।]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here