#আমার প্রিয় তুমি
#মেহজাবিন তানিয়া
পর্ব-৩৫
৬৯.
কাল মেঘের বিয়ে আজ গায়ের হলুদ সকাল থেকেই সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত । তারেক হাওলাদারের বাড়ি আজ নতুন বউয়ের মত করে সাজিয়েছে । যেহেতু হাতে গণা কিছু মানুষের আয়োজন তাই আর কমিনিউটি সেন্টার বুকিং করা হয়নি সব আয়োজন বাসাতেই করা হচ্ছে । এই কারণে কাজের চাপটা ও বেশি ।
হাওলাদার সাহেব আসতে আসতে দুপুর হয়ে গেছে এ নিয়ে রিমি অনেকক্ষন মুখ ভার করে বসে ছিলো কিন্তু হাওলাদার সাহেব যখন বললো যে চেয়ারম্যানের ছেলেকে কে বা কারা যেনো খুন করে টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে ওদের বাড়ির রাস্তায় ফেলে রাখছে এই নিয়ে গ্ৰামে ঝামেলা হয়েছে সেখানে আমাকে একটু যেতে হয় তাই আসতে এতো দেরি হয়েছে।
সবাই হাওলাদার সাহেবের কথা শুনে ভয়ে কেঁপে উঠলো কি লোমহর্ষক মৃত্যু। তাহু ভয়ে নিঃশব্দে কেঁদে উঠে শাশুড়িকে জরিয়ে ধরে । তানভির মা তাহুর ভয়ের কারণ বুঝতেই নিজের সাথে আরো গভির ভাবে জরিয়ে ধরে শান্তনা দিতে থাকেন হাওলাদার সাহেবের ও তাহুকে পাশে বসিয়ে শান্তনা দেন এবং বলে সব ঠিক আছে ওর পাপের শাস্তি আল্লাহ পাক এভাবেই দিয়ে দিছে এখন কোনো ভয় নেই । আমরা সবাই আছি তোমার পাশে । একে একে সাবাই বুঝানো ফলে তাহু শান্ত হয় সাথে সবাই রাকিবকে গালি দিতেও ভুল করে না । তানভির মা এসে বলে তুমি এখন রুমে একটু রেস্ট নেও হলুদে আগে রেডি হয়ে তারপর একবারে বের হবে।
রাকিবের মৃত্যু নিয়ে সবাই বিভিন্ন মন্তব্য করলেও তানভি ছিলো একদম নিশ্চুপ তবে মুখে ছিলো এক অদ্ভুত কারণের হাসি যা কারো চোখে পড়েনি বা হয়তো তানভি সে হাসি কারো চোখে পড়তে দেয়নি।
তানভির মা নিজে গিয়ে তাহুকে রুমে রেখে আসলেন এবং বাইরে গিয়ে তানভিকে বলেন মেয়েটা অনেক ভয় পেয়ে আছে একটু ভয়টা কমানোর চেষ্টা কর নাহলে বিকেলে অনুষ্ঠানে মন খোলে আনন্দ করতে পারবে না।
হুম যাচ্ছি বলে তানভি সাদকে ডাক দিয়ে সব বুঝিয়ে দিলো যাতে আয়োজনে কোনো কিছুর কমতি না হয় । সাদও ভাইয়ের কথা মতো কাজ করতে নেমে গেলো।
:
:
রুমে গিয়ে দেখে তাহু দরজায় দিকে পিঠ দিয়ে শুয়ে আছে আর কিছুক্ষণ পর পর কেপে উঠছে ।
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কিছু সময় দেখে নিলো তানভি তার বউকে । আসতে করে দরজা লাগিয়ে খুব ব্যস্ত ভঙ্গিতে বলতে আরম্ভ করলো -হায় হায় সব কাজ রেখে আমার লাফানো ফড়িং দেখি সুয়ে আছে । এতো দিন কাজের জন্য দেখি জামাইকে চোখেই দেখে নাই আজ সব ফেলে আমার বিছানায় এসে হাজির এই অসময়ে ।
তবে ভালোই হয়েছে হাতে দুই ঘণ্টা সময় আছে আমার বেডরুমের কাজের জন্য একদম পারফেক্ট সময় কি বলো ।
তাহু ততোক্ষনে উঠে বসছে তবে চোখ দিয়ে পানি পরছে । তানভি খুব কাছে গিয়ে বসে ,গালে হাত দিয়ে চোখের পানি মুছে কি হইছে এতো কান্নার কি আছে আজ তো তোমার আরো খুশি হবার কথা তোমার জীবন যে কালো ছায়া ছিলো সে এখন আর নেই । এমন হবারই তো কথা ছিলো আমার কলিজায় হাত দেবার শাস্তি ও পেয়েছে । এতে কেনো আমার বউকে কষ্ট দিতেছো ।
তাহু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে তানভিকে ঐ সয়তানটার জন্য কান্না করছিনা আমি তো কান্না করছি বাবার জন্য হঠাৎ শুনাতে আগের কথা গুলো মনে পরছে। ঐ সয়তানটার জন্য বাবা আজ আমার কাছে নেই ।
ভালো মানুষকে আল্লাহ কখনো খারাপ রাখে না তাহু বাবাও আল্লাহ কাছে ভালো আছে । তবে তুমি যে কান্না করছো এতে তার কষ্ট হবে । আর কান্না করে না সব ঠিক আছে জান।
তাহুকে নিজের থেকে আলগা করে দুহাতে আগলে ধরলো তাহু মুখ । চোখের পানি মুছে দিলো । তারপর বললো হাতে কিন্তু দুই ঘণ্টা সময় আছে তাহলে চলো সময়টা কাজে লাগাই ।
তাহু সাথে সাথে সরে যেতে চায় কিন্তু পারে না ততক্ষণে তাহুর ঠোঁট নিজের আয়ত্তে নিয়ে নেয় তানভি , মুহূর্তেই ভালোবাসার অনুভবে রাঙিয়ে তুলে তাহুকে।
:
তানভি ঠিক পাক্কা দুই ঘণ্টা পর তাহুকে রুমে থেকে বের হতে দেয় । রেডি হতে হতে মনের মাধুরী মিশিয়ে তানভির ইচ্ছে মতো বকতে থাকে । বাহিরে গিয়ে কি বলবো এখন , তার উপর চুল ভেজা বলতে বলতে রুম থেকে বের হয়ে গেল লম্বা একটা ঘুমটা টেনে।
সামনেই তানভিকে দেখতে পেলো , দেখে ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে । তাহুও মুখ ভেংচি কেটে অন্য দিকে চলে গেলো।
________________________
তানভিদের ছাদে হলুদের আয়োজন করা হয়েছে । দুই পরিবার এক সাথেই হলুদ করবে । তাহু সিরি ভেঙে একবার উপরে উঠছে তো আবার নিচে নামছে । উঠতে নামতে গিয়ে এক সময় হাঁপিয়ে যায় কিন্তু এখনো নিচে থেকে আরো অনেক কিছু আনতে হবে । তাই শরীরের জোর প্রয়োগ করে আবারও নিচে গেলো বাকি জিনিস আনতে । শাশুড়ি ডেকে বললো তাহু মা এই ডালাটা এখানে আছে এটাও নিয়ে যেও বলে তাহু দিকে তাকালো সাথে সাথে কপাল কুঁচকে বললো এই তোমাকে এমন দেখা যাইতেছে কেন কি হইছে হাতের এগুলা রেখে এখানে বসো এখানে বলেই ছোট জাকে বললো ঠান্ডা পানি দিয়ে এক গ্লাস লেবুর শরবত নিয়ে আসতে।
মা তেমন কিছু হয় না এই কয়েক বার সিরি ভেঙে উপর-নিচ হওয়াতে মাথাটা একটু ঘুরে আসছে ।
চাচি শাশুড়ি শরবতটা নিয়ে আসলে ডক ডক করে খেয়ে নিলো । এখন একটু শান্তি লাগছে , তাই বললো দেখো ঠিক হয়ে গেছি চিন্তার কোনো কারন নেই আমি বরং এগুলো উপরে রেখে আসি না হলে দেরি হয়ে যাবে।
কোনো দরকার নাই এগুলো আমি অন্য কারো মাধ্যমে পাঠিয়ে দিবো । তুমি এখন আমার সাথে রিমির রুমে যাবে ওর রুমে এখন দুজন মেয়ে ওকে সাজাচ্ছে আর কেউ নেই । সেখানে নিরিবিলি বসে একটু রেস্ট নিবে তারপর এক বারে তৈরি হয়ে রিমি সাথে ছাদে যাবে আর কোথাও যেনো না দেখি ।
মা কিছু হয় নাই তো আমি পারবো এই কাজ টুকু করতে ।
আমার কথা শুনবা না দাঁড়াও তানভিকে ডাকতেছি।
না’না আমি যাইতেছি ওনাকে ডাকার কি আছে বলেই দূরুত পায়ে রিমির রুমে চলে গেলো।
তা দেখে দুই শাশুড়ি হাসতে লাগলো আপা দেখছো তানভিকে কেমন ভয় পায় এক কথাই সোজা হয়ে গেলো বাচ্চা মেয়ে ।
:
:
সন্ধ্যায় চারদিকে আলো জ্বালিয়ে দিলো পুরো বাড়ি মুহূর্তের মধ্যে আলোকিত হয়ে নতুন রুপ ধারণ করলো।
ছাদে হলুদের আয়োজন করা সব শেষ এখন শুধু বর-কনে আসার অপেক্ষা । তানভি সব দিক আবারো একবার চেক করে নিচ্ছে কোনো ত্রুটি আছে কিনা।
নাহ সব কিছু ঠিকঠাক আছে ।
সব তদারকি করে শান্ত হয়ে বসে চোখ ঘুরিয়ে বউয়ের খোঁজ করলো তানভি । কোথাও না দেখতে না পেয়ে আবার উঠে গেলো বসা থেকে নিচে নামতে গিয়ে মার সাথে দেখা ।
মা তাহু কই দেখছি না যে।
ওহ….তকে তো বলতে ভুলেই গেছি ওর শরীর একটু খারাপ লাগছে তাই ওকে রিমির রুমে বসিয়ে রাখছি তুই গিয়ে দেখে আয় এখন কেমন আছে ।
কি বলো আগে বলবা না আচ্ছা আমি দেখছি বলে রিমির রুমে দিকে পা বাড়ালো।
৭০.
রিমির সাজা শেষ করে বসে আছে এখন তাহুকে সাজানো হচ্ছে , ও একদমই চায়নি সাজতে কিন্তু রিমি জোর করে বসিয়ে দিছে আর বলেছে এখান থেকে উঠলে আমি গিয়ে গোসল দিবো তাই কি আর করার বাধ্য হয়ে বসে আছে ।
হুরমুর করে রিমির রুমে দরজা খুলে তানভি ঢুকে কোনো দিকে না তাকিয়ে তাহুর কাছে গিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে বলতে লাগলো এই কি হইছিলো তোমার মা বললো , এখন কেমন লাগছে আমাকে বলো নাই কেন হা ।
রুমে যে আরো কেউ আছে সে দিকে তার কোনো হুসই নাই সে তার বউকে নিয়ে আছে পার্লারের মেয়ে দুটি এমন কান্ড দেখে মুখ টিপে হাসছে , রিমি চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে আছে আর তাহু কোনো রিয়েকশন দিতেই ভুলে গেছে ।
কি বললাম এখন ঠিক আছো না ডাক্তার কাছে যাবো।
ন-না আমি ঠিক আছি ক-কোথাও যাওয়া লাগবে না বলে আসেপাশে তাকালো ।
ওর তাকানো দেখে তানভি চোখ ঘুরিয়ে দেখে নিলো বোনকে আর ঐ মেয়ে দুইটাকে ।
বউয়ের দিকে আবার তাকালো বেশি খারাপ লাগলে বের হবার দরকার নেই বলেই তাহুর পায়ের কাছে পরে থাকা টাওয়াল দিয়ে তাহুকে ঢেকে দিলো কারন ও শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট পরা । আর এক মিনিট না থেকে বের হয়ে গেলো তানভি।
এই কান্ড তাহু আরো লজ্জা পেয়ে গেলো ।
ভাবি কি ছিলো এটা , আমার ভাই যে এতো নির্লজ্জ আমি তো আগে জানতাম না ভাবি সত্যি বলছি।
তাহু এটা শুনে আর কিছু বললো না আজ অনেক বড় লজ্জা পেয়ে গেলো এই অসভ্য লোকটার জন্য এখন কি ভাববে সবাই ।
:
কিছু সময় আগে মেঘ তার পুরো পরিবার নিয়ে হাজির হয়েছে হলুদের অনুষ্ঠানের জন্য ।
রিমি-কেও উপরে নিয়ে আসা হলো সাথে তাহু এসে ভাই আর ননদের পাশে বসলো।
প্রথমে রিমির মা-বাবা এবং মেঘের মা এক সাথে হলুদ দিয়ে অনুষ্ঠান আরম্ভ করলো। পরে তাহুর পাশে তানভি বসলো তারপর এক সাথে হলুদ দিয়ে অনেক ছবিও তুললো । তারপর একে একে সবাই বর-কনেকে হলুদ ছোঁয়ালো ।
রাত বারোটা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান চললো যদিও বড়রা সব হলুদ দিয়েই নিচে নেমে গেছে উপরে যারা ছিলো সব কাজিনরা । তাহুকেও বেশিক্ষন থাকতে দেয়নি উপরে তানভি অসুস্থ বলে ।
_________________
সকাল নয়টায় তাহুর ঘুম ভাঙ্গালো , এতো সময় ঘুম দিয়েও বিছানা থেকে মন চাইছে উঠতে । কিন্তু উঠতে তো হবেই বাড়ির বড় বউ এতো সময় ঘুমালে মানুষ কি বলবে । তানভির নেই পাশে মনে হয় অনেক আগেই উঠে গেছে । তাই আস্তে ধীরে উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো ফ্রেস হতে।
তানভি কয়েক বার দেখে গেছে তাহুর ঘুম ভাঙ্গাছে নাকি কিন্তু ডাকেনি আর কাউকে ডাকতেও দেয়নি ।
ঘড়িতে তাকিয়ে দেখে নয়টা দশ বাজে তাই আর দেরি না করে নাশতা নিয়ে তাহুকে ডেকে উঠাতে গেলো । আর কতোক্ষন না খেয়ে থাকবে রাতেও ঠিক মত খায়নি । গিয়ে দেখে তাহু উঠে গেছে বাথরুম থেকে পানির শব্দ হচ্ছে। একটু অপেক্ষা করতে তাহু চুল মুছতে মুছতে বের হয়ে আসলো।
এখন কেমন লাগছে তোমার ঠিক আছো তো।
হুম ……আপনি কখন উঠছেন আর আমাকে ডাকলেন না কেন ।
তোমার শরীর ভালো না দেখে ডাকি নাই এখানে আসো নাস্তা করে নাও রাতে অল্প করে খাইছো এখন ঠিক মত নাস্তা করে নেও ।
আপনি করছেন নাস্তা।
হুম আমি করছি ,,,,তুমি আসো আমার কাজ আছে ।
তাহু কাছে গিয়ে বসতেই খাওয়ানো শুরু করলো তানভি আর উপদেশ দিতে থাকলো। আমি কিন্তু কাজে ব্যস্ত হয়ে যাবো তোমার দিকে খেয়াল রাখতে পারবো না , বেশি লাফালাফি করবা না বাহিরে যাবার কম , কাজ করতে হবে না কাজ করার জন্য যথেষ্ট মানুষ রাখছি আমি আর বেশি খারাপ লাগলে মাকে অথবা আমাকে বলবা ঠিক আছে ।
জি স্যার ঠিক আছে বলে একটা মন খোলা হাসি দিলো । তানভির বুকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো তারপর বের হয়ে গেলো।
:
বিকেল তিনটার দিকে বর চলে আসলো খাওয়া দাওয়ার পাট চুকিয়ে বিয়ের পড়ানোর কার্যক্রম শুরু হলো মেঘের এখানে বিয়ে পড়ানোর পর রিমির রুমে গেলো কাজি । এর মধ্যে তাহু এক কান্ড করে বসলো বিয়ে বাড়ির এতো মানুষের ভিড় আর পোলাও – মাংসে অতিরিক্ত গন্ধে বমি করে দিলো এটা নিয়ে তানভি – মেঘ দুজনেই তাহুকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরলো । তানভির মা বললো বউকে রুমে যা ওর অবস্থা দেখা যায় কালকের থেকে আজ আরো খারাপ হয়ে গেছে ওদের বিদায় দিয়ে ওকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবি।
কিন্তু তা আর হয়ে উঠলো না সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলো তাহু। চারদিকে হইচই পড়ে গেলো তাহুর মা আর শাশুড়ি তো কান্না শুরু করে দিলো। মেঘ ডাক্তারকে ফোন দিলো আর তানভি তাহুকে কোলে নিয়ে রুমের দিকে ছুটলো ।
:
রাত প্রায় এগারোটা দিকে তাহু জ্ঞান ফিরলো । দেখে তানভি ওর পেটের উপর ঝুঁকে আছে আর একটু পর পর চুমু খাচ্ছে ।
ঘড়িতে তাকিয়ে দেখে এগারোটা বাজে তখনই মাথায় আসে রিমি কথা ।
ততক্ষনে তানভি তাকায় ওর দিকে ।
রিমি আপুরা কি চলে গেছে ঘুম ঝরানো গালায় বলে উঠে।
হুম দশটার দিকে চলে গেছে তোমাকে ডাক্তার দেখে যাবার পর।
কি বললো ডাক্তার ?
জান জানো তুমি আমাকে কি দিচ্ছো? কথাটা বলে পেটে আবার হাত রাখলো । আমি যে অনেক খুশি জান বলে বুঝাতে পারবো না ।
তাহু হা করে তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করতেছে আসলে কি বলতে চাইছে তানভি।
কপলে চুমু খেয়ে আবার জরিয়ে ধরলো তাহুর পেটে হাত রেখে বললো jaan you are pregnant . আমি বাবা হবো আর তুমি মা।
কথাটা শুনে তাহু কেঁপে উঠলো সাথে সাথে হাত চলে গেলো পেটে । বিশ্বাসই হচ্ছে না সত্যি ওর মধ্যে একটা ছোট অংশ আছে।
Thank you so much for the gift . I love you .
তাহুও জরিয়ে ধরে খুব শক্ত করে আর তাদের অনাগত সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছে।
I love you too 💖
এখন শুধু অপেক্ষা তাদের ভালোবাসার অংশ পৃথিবীতে আসার , বুকে আগলে রাখার ।
আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুর জন্য ♥️
ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল ভালোবাসা
~ সমাপ্ত~





