মেঘের_বন্ধু_বৃষ্টি (১৪)

#মেঘের_বন্ধু_বৃষ্টি (১৪)
#ফাতেমা_তুজ
#অন্তিম_ক্ষণ

তিয়ার গাঁয়ে প্রথম হলুদের ছোঁয়া টা সন্ধ্যার দিকে এসে আওয়ান ই দিয়েছে। সেই থেকে মেয়েটার মন ভালো নেই। বুক ভারী হয়ে আসে একটু পর পর। কেউ যেন খুব আদুরে ভঙ্গিমা তে যন্ত্রনা দিয়ে গেল। পুরো বন্ধুমহল এখন ছিন্নভিন্ন। দুজন মানুষের অনুভূতি সবাই টের পেয়েছে কিনা। তবে কি করার আছে? কিচ্ছু করার নেই! হ্যাঁ সত্যিই আর কিছু করার নেই। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দুটো লাইফের সাথে জুড়ে গেছে আরো দুটি লাইফ। সব কিছু চাইলেই পরিবর্তন করা যায় না।নিজ মন কে দৃঢ়তা দিয়ে বেষ্টন করলো তিয়া। ঠোঁটের কোনে ঝুলিয়ে দিলো প্লাস্টিকের মনকাড়া হাসি। একে একে হলুদ কার্যক্রম শুরু হয়ে গেল। নিজেকে সংযত রেখে গুটি শুটি মেরে বসে আছে তিয়াশা।
এর ই মাঝে হৈ হুল্লর পরে গেল রাযীন আসা তে। সকলে তো বউ পাগলা উপাধি জুড়ে দিয়েছে তাকে। মিউজিকের তালে তালে রাযীন ও তাঁর বন্ধুরা ডান্স শুরু করলো। তিয়ার কাজিন সমগ্র নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে যোগ হলো তাতে। সামনের দিকে তাকিয়ে তিয়ার চোখের কোন বেয়ে নেমে গেল এক ফোঁটা অদৃশ্য জল বিন্দু। যা কোনো মানবের চোখে দৃশ্যমান হয় না।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। তিয়াশার বন্ধুরা কোনো মতে দাঁড়িয়ে আছে। ভাঙা রেকর্ডের মতো গলা ছেড়ে গান ও গাইতে হলো তাঁদের। সকলের মাঝ থেকে উঠে এলো তিয়াশা। কেউ সন্দেহ করে নি। করার কথা ও না। ঘরে ফেরার পথে আওয়ানের অবয়ব দেখলো বোধহয়। তবে মুহুর্তেই মিলিয়ে গেল ছেলেটা। চিন্তন হলো আদৌ কি বাস্তব ছিলো সেটা নাকি ছিলো ভ্রম?
” এই যে হবু মিসেস, কি ভাবছেন এতো। ”

” আপনি এখানে। এতোক্ষনে তো ফিরে যাওয়ার কথা। ফিরে যান নি কেন? ”

” ভাবলাম আরেকটু সময় কাঁটিয়ে যাই। বাসায় গিয়েই কি বা হবে। ”

” ওহ। তো বসুন না সকলের সাথে। ”

” হ্যাঁ যাবো। তবে আপনি চলে যাচ্ছিলেন কেন? ”

” আমি একটু ক্লান্ত। ”

” ও আচ্ছা তাহলে যান। আমি আর বাঁধা দিবো না। ”

” ধন্যবাদ। ”

রাযীন কে সামাল দিয়ে পায়ের গতি বাড়ালো তিয়া। ওয পদাঘাতে মাটি ও যেন ভূকম্প সৃজন করলো।নিজ কক্ষে এসে সোজা সাওয়ারের নিচে বসে রইলো। হলুদের হলুদ বর্ণে রাঙাতে লাগলো পুরো শরীর কে। একটু একটু করে ঘষে নিলো চিবুকের শেষ হলুদ টুকু। মাথা ব্যাথা করছে এখন। ঘুম প্রয়োজন, শান্তির ঘুম।

পরদিন খুব সকালে তাহমিদা এলেন। মেয়ের মাথা টিপে দিয়ে গেলেন অনেক ক্ষণ। স্লিপিং পিল খাওয়াতে ঘুম এখনো কাটে নি। আদুরে ভঙ্গিমায় তিয়াশা বলল
” ভালো লাগছে না মা। ”

” সকাল সকাল উঠেছিস যে তাই। একটু রেস্ট নে ঠিক হয়ে যাবে।কিছু সময় পর অনেক টা ধকল যাবে। ”

” আব্বু বাসাতেই? ”

” কাজে বের হয়েছে। আসবে একটু পর। ”

” এক কাপ লিকার চা দিও তো। মাথা টা এখনো ঝিম মেরে আছে। ”

” তুই বস আমি পাঠাচ্ছি। ”

কাল রাতে খুব বেশিই চিন্তা করতে হয়েছে তিয়াশা কে। সিদ্ধান্ত আর বদলাবার নয়। পিছুটান রাখা যাবে না। সামনে এগিয়ে যেতে হবে সেটা যে কিছুর বিনিময়ে।

কিন্তু এই ইহজগতে দোষ নেই কার? সবাই তো দোষী। হওয়া টা ও কি স্বাভাবিক নয়? গত কয়েক মাসে নিজের অনুভূতি কে মূল্য দেয় নি আওয়ান। কখনো অনুভূতি জাগে নি এমন নয়। তিয়াশা নিজেও একি অপরাধে দণ্ডিত। গত কয়েক মাসের অনুভূতি কে নিছক ই বন্ধুত্ব নামে অভিহিত করেছে। কখনো কল্পনাই করা হয় নি এর পেছনে থাকা ভালোবাসা টুকু। কোথায় যেন লিখা ছিলো একটি মেয়ের কখনো ছেলে বন্ধু থাকতে পারে না। সেই বন্ধু টি নিঃসন্দহে তাঁর মন কেড়ে নেওয়া বিশেষ ধাঁচের মানব। সর্বক্ষেত্রে এই বানী প্রযোজ্য না হলে ও তিয়ার ক্ষেত্রে অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল। আশ্চর্য জনক ভাবে তিয়া আওয়ানের প্রেমে পরেছে। অন্য দিকে দু মন নিয়ে বেজায় চিন্তিত হয় আওয়ান। মধুপ্রিয়া তাঁর জীবনের একটি ভুল স্বরূপ। যাঁর আগমন ছিলো কালবৈশাখী ঝড়ের মতো। অথবা খড়স্রোতা পদ্মার মতো। এই দোষ অস্বীকার করতে পারে না। অস্বীকার করলে ও কেউ ওকে মেনে নিবে না। হাজার হোক দুজনের সম্পর্ক গড়ার মাঝে জড়িয়ে ছিলো আরো কিছু মানুষ। নিজেকে সঠিক প্রমানের ইচ্ছে ও হয় নি আওয়ানের।

ভীষণ অসহায় হয়ে পরেছে তিয়াশা। নিজ মন কে বোঝাতে বার বার অক্ষম হতে হতে আবার জিতে নিয়েছে সক্ষমতা। চোখের জল আড়াল করে হাসি মুখে বসে রইলো বেডের এক কোনে। রাযীন এর বাসা থেকে লোক এসেছে। পারিবারিক নিয়ম অনুসারে বিয়ের দিন শশুর বাড়ি থেকে গহনা পরিয়ে দেওয়া হয়। তিয়াশার হবু শাশুড়ি মাহমুদা ছেলের বউ এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নজর টিকা লাগিয়ে বললেন
” তুমি তো আসমানের অপ্সরী মা। ”

প্রতিউত্তরে তিয়া বলল
” দোয়া করবেন আন্টি। অপ্সরী যেন নিজ ব্যক্তিত্ব হারিয়ে না ফেলে। ”

” ওমা সেকি কথা ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলবে কেন? এমন সুন্দর মুখখানা সব সময় স্নিগ্ধ আর অপরূপাই থাকবে। সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে। ”

” আপনি কি এখনি চলে যাবেন আন্টি? ”

” হ্যাঁ। নিয়ম তো তাই বলে। ”

মাহমুদা চলে গেলেন। দরজায় কপাট লাগিয়ে বিছানায় বসলো তিয়া। সম্মুখে আয়না রয়েছে। নিজ প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছে সেখানে। অমানবিক আচরণ ফুটে উঠেছে এই মুখে। নিজের ভিন্ন সত্তা দেখে হা হা কার নেমে এলো অন্তরে। বিছানার চাদর খামচে ধরলো তিয়াশা। ঘন ঘন শ্বাস টেনে নিজেকে স্থির করলো। হাতের সরু পাতলা চুড়ি গুলো ঝনঝন শব্দ তুলে। পাশে ফোন হাতরিয়ে আওয়ানের নাম্বারে ম্যাসেজ লিখলো তবে হঠাৎ ই আওয়ানের প্রোফাইল চোখে এলো। মধুপ্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে হাস্য উজ্জল চেহারায়। হু হু করে উঠলো তিয়ার মানসপট। হাত থেকে ফোন টা ফেলে দিয়ে অস্থির হয়ে পরলো। এ কি ভুল করছিলো সে?
কিছুক্ষণের মাঝেই বাচ্চা দের হৈ হুল্লর কর্ণপাত হলো। বর এসেছে বর এসেছে ধ্বনি তে মুখরিত চারপাশ। এখন শুধু তিয়া কে ডেকে নেওয়ার অপেক্ষা।

*

নদীর ধারে বসে ইটের ঢিল ছুড়ছে আওয়ান। কোনো অনুভূতি নেই। সময় পড়ন্ত বিকেলের মাঝামাঝি। সব কিছু ঠিক থাকলে এতোক্ষনে তিয়ার বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা। ফোন টা সুইচ অফ করে রেখেছে যাতে কেউ কোনো তথ্য দিতে না পারে। সহ্য হবে না যে।অঢেল সময় পার করে মধুপ্রিয়ার আগমন হলো। অনেকটা সময় জুড়ে আড়াল থেকে সে দেখছিলো বিধ্বস্ত আওয়ান কে। দুজনের মাঝে ভালোই দূরত্ব। কারো উপস্থিতি বুঝে ও তাকালো না আওয়ান। আনমনে পানি তে ঢিল ছুঁড়তে লাগলো। কি সুন্দর করে ঢিল গুলো স্প্রিং এর মতো দোল খেয়ে খেয়ে পানির সাথে মিশে যায়। এই সৌন্দর্য্যের কারন খুঁজতে গিয়ে অনুভব হলো সেটা অসাধ্য। সৃষ্টি কে অনুভব করা যায় তবে এর রহস্য উন্মোচন করতে গেলে পাগল হয়ে যেতে হয়। লোকে স্বাদ করে বলে না বিজ্ঞানীরা পাগল হয়। তবে আওয়ান তো বিজ্ঞানী নয়। এই সাধারন ভাবনার ফলে কি তাঁকে পাগল সম্বোধন করা হবে? হতে ও পারে। মাথার নিউরন গুলো ঠিক ঠিক কাজ করছে না যে।
” কি করছো? ”

” ঢিল ছুড়ছি। ”

” সেটা তো দেখলাম ই তবে এই সময়ে তোমার এখানে থাকা উচিত? ”

” তাহলে কোথায় যাবো? ”

” তিয়াপুর বিয়ে দেখতে গেলে না যে। ”

” তুমি ও তো দেখো নি। ”

” আমি তো বিজি ছিলাম অন্য কাজে। মাত্র ই আসলাম। তোমাকে ফোনে বলেছিলাম তো। ”

” ও তাই তো। তুমি বিজি ছিলে। ”

” একটা কথা বলবে আওয়ান? ”

” বলো। ”

” তিয়াপু কে ভালোবাসো? ”

সহজ একটা প্রশ্ন। যাঁর উত্তর ও খুব ই সোজা। তবে আওয়ানের কাছে সুউচ্চ পর্বতের ন্যায় মনে হলো। মধুপ্রিয়ার প্রশ্নে ভীত সন্ত্রস্ত নয় সে। তবে কোথাও জ্বালা পোড়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তিয়াশা অন্য কারো নামে সংরক্ষিত। আর সামনে দাঁড়িয়ে যে এই প্রশ্ন গুলো ছুড়েছে সে এককালীন প্রেমিকা ওর। বলা উচিত যে এখনো প্রেমিকা। তবে স্বঘোষিত ভাবে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে আওয়ান। আকাশের কাঠ ফাঁটা রোদ। রোদে গাঁয়ের চামড়া ইষৎ জ্বালা পোড়া করছে। তবে ভালোই লাগছে এখানে।
” তিয়াপুর সাথে কথা বলবে আওয়ান? ”

” না। ”

” কেন? ”

” যে আমার নয় তাঁর প্রতি মায়া বাড়িয়ে কি লাভ মধুপ্রিয়া? ”

মধুপ্রিয়া! আওয়ান তাঁকে প্রথম বারের মতো পুরো নামে সম্বোধন করলো। এতেই বোঝা যায় ভালোবাসায় কতো টা খাদ মিশে আছে। ছেলেটার চোখ মুখ বলে যাচ্ছে ‘আমি ভালোবাসি তিয়া কে, খুব বেশিই ভালোবাসি পাগলি টা কে।’ মধু আড়াল করলো নিজেকে। গলা ধরে আসছে বার বার। শুকিয়ে যা তা অবস্থা।কান্না পাচ্ছে খুব। আওয়ানের চোখে মুখে লেগে থাকা তিয়াশার প্রতি গভীর টান মধু কে ভেঙে গুরিয়ে দিচ্ছে একটু একটু করে। প্রচন্ড কান্না আসতে চেয়ে ও কোনো এক নাম জানা বাঁধা তাকে আটকে ধরলো। আওয়ানের চোখ থেকে এক ফোঁটা জল পরতে নিয়ে ও পরলো না। কোনো বিশেষ পদ্ধতিতে চোখের পানি শুষে গেল চোখের মাঝেই। পকেট থেকে তিয়ার ছবি বের করে সেটার উপর জমে থাকা ধুলোবালি মুছে বলল
” জানো মধু ভালোবাসা খুব খারাপ জিনিস। মিথ্যে বলবো না, তোমার প্রতি আমার যে অনুভূতি সেটা ভালোলাগা তবে ভালোবাসা তিয়ার জন্য ই লুকিয়ে ছিলো। তোমার এলোকেশ আর সুন্দরী মুখমন্ডল হয়তো ক্ষনিকের জন্য আমায় আকৃষ্ট করেছে। আমি নিজের ভুল কিংবা অন্যায় স্বীকার করতে দ্বিধা বোধ করছি না। কারন এতে পাল্টে যাবে না সমস্ত টা। দীর্ঘ ছয় বছরের বন্ধুত্ব কখন যে ভালোবাসা তে রূপান্তর হয়েছিলো আমি সত্যিই জানি না। প্রথম দিকে তো তিয়ার সাধারণ আকুতি আমিই ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। পরদিন ই নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। ততক্ষণে তিয়া খুব করে মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে। সে যথা রীতি তে প্রত্যাখান করেছে আমায়। আমি দোষ দিচ্ছি না কাউ কে। তবে আফসোস হয় খুব। লাল টুকটুকে শাড়ি পরিহিতা তিয়া আজ আমার ঘরের বউ হলে ও হতে পারতো। তবে এখন সে অন্য কারো। আম স্যরি মধুপ্রিয়া। এতো দিন যাবত তোমার সাথে অন্যায় করার জন্য। আমি সত্যিই বুঝতে পারি নি আমি তোমার মোহে পরেছি ক্ষনকালের জন্য। আসলে কখনো ভালোবাসা ছিলোই না। ”

কি নিষ্ঠুর স্বীকারোক্তি। মধুর গাল বেয়ে নেমে যাচ্ছে স্বচ্ছ তরল। আওয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে নিষ্পলক ভাবে। কারো দোষ নেই এতে। এই ভাগ্য কে স্বাচ্ছন্দ্যে না হলে ও পাথর চাঁপা দিয়ে মেনে নিলো মধু।

সন্ধ্যার আজান পরেছে। মধুপ্রিয়া আর আওয়ান পাশাপাশি বসে আছে। দুজন ই বিচ্ছেদ কে গাঁয়ে জড়িয়ে নিয়েছে। তবে মধু নিজের ভালোবাসার দাম দিবে আজ। যা সাজিয়ে এসেছে দুপুরে। আওয়ানের কাঁধে হাত রাখলো সে। মলিন কন্ঠে শুধালো
” বাসায় যাবে না? ”

” তুমি যাও মধু। আমি পরে যাবো। ”

” কেউ যে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে আওয়ান। ”

অপেক্ষা! কে করবে এই অপেক্ষা? মধুর অধরে স্মিত হাসি। ঘটনা টা তৎক্ষনাৎ চট করেই মাথায় সাজিয়ে নিলো আওয়ান। আনমনেই ফুটে উঠলো কয়েক ফালি উজ্জল হাসি। ছুটতে ছুটতে চলে এলো চিরচেনা নদীর পাড়ে। আলতা পায়ে পানির সাথে খেলা করছে একটি মেয়ে। আঁধারে স্পষ্ট নয় তাঁর অবয়ব। আকাশে গর্জে উঠা মেঘের ডাক। আওয়ান এগুনোর সাহস পেল না। তাঁর পূর্বেই খিল খিল করে হাসতে লাগলো মেয়েটি। নিজের জীবনের সমস্ত পাঠ চুকিয়ে আওয়ানের কাছে এসেছে সে। খোলা চুল গুলো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মুহুর্তেই মেঘ গর্জন তুলে আহ্বান করলো বন্ধু বৃষ্টি কে। আওয়ানের বুকের ভেতর ধীম ধীম শব্দ হতে লাগলো। শ্বাস গুলো ও ভারী হয়ে আছে। তুমুল বৃষ্টি তে ভিজে গেল চোখ মুখ সহ প্রতি টি লোমকূপ। মেয়েটির খিল খিল হাসি তে মাতোয়ারা ভুবন। মেঘের গর্জনের সাথে অস্পষ্ট অবয়বের মেয়েটির কন্ঠের অচেনা সুর বেজে এলো ” মেঘের বন্ধু বৃষ্টি আর আমার বন্ধু তুই। ”

সমাপ্ত

সমাপ্তি নিয়ে কিছু কথা। পরের অংশ আপনারা আপনাদের মতো করে সাজাবেন। ভিন্ন একটা চেষ্টা ছিলো মাত্র। এখানে প্রধান চরিত্রের কেউ ই সাধু নয় যেমন টা হয় বাস্তবে।

** পরবর্তী গল্প কয়েক দিনের মাঝেই পোস্ট করবো ইনশাআল্লাহ। বলতে পারি এবারের প্লট টা হবে খুব ই ইউনিক। যাঁরা পড়বেন তাঁরাই বুঝতে পারবেন। **

গ্রুপ : Fatema’s story discussion

পার্সোনাল আইডি :
https://www.facebook.com/fatema.tuz.9469

আমার লেখা সব গল্প https://www.facebook.com/110123584545542/posts/209008264657073/?app=fbl

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here