ভ্যাম্পায়ার_কুইন# #সিজন_2# পর্বঃ৩৭

#ভ্যাম্পায়ার_কুইন#
#সিজন_2#
পর্বঃ৩৭
.
.
লেখকঃহৃদয় বাপ্পী
.
.
ড্রাকুলার এভাবে এ্যারসাকে এট্রি নেওয়াটা অনেক রহস্য জনক। আমার জানা মতে রানীর ইচ্ছা ছাড়া এখানে ডেভিল কিং ও প্রবেশ করতে পারবে না। কিন্তু ড্রাকুলার ক্ষেত্রে সেটা আলাদা দেখছি। আমার মনে হয় আমার সাথে লিম্বো থেকে সে এ্যারসাকেই এসেছিলো, যদিও এটা আমি চিন্তা করছি কিন্তু আমি কোথাও তার প্যালেস দেখতে পাই নি। তাছাড়া তার প্যালেস এ্যারসাকে আসলে এন্জেলরা আগে থেকেই জানতো পারতো। কি হচ্ছে বুঝতে পারছি না। আর প্রিন্সেসকে রানী বানানোর কথা চিন্তা করছে কেনো ড্রাকুলা? তবে কি প্রিন্সেস এলিনাকে বিয়ে করবে সে? হয়তো হতে পারে। আমার এতো চিন্তা করে লাভ নেই। আপাতোতো এন্জেল রানী সহ এখানের সবাই তাদের হাটুতে ভর করে ছিলো। ড্রাকুলা সাথে সাথে অদৃশ্য হয়ে গেলো এবং সোজা প্রিন্সেস এর পাশে গিয়ে দাড়ালো। এতো দ্রুত ছিলো যে মনে হলো এক পলকের মধ্যে সে টেলিপোর্ট হয়ে গেলো। কিন্তু সে তার আল্ট্রা স্পিড ব্যবহার করেছে যেটা আমার দেখা সবচেয়ে দ্রুত। এরপর ড্রাকুলা বলতে লাগলো,
.
–জ্যাক তাহলে দেখা হবে তোমার সাথে আমার প্যালেসে। তারাতারি এসো, তোমার জন্যও অপেক্ষা করবো।(ড্রাকুলা)
।।।
।।।
ড্রাকুলা এটা বলেই টেলিপোর্ট হয়ে চলে গেলো। আর আশেপাশের সব গ্রাভিটি একদম ঠিক হয়ে গেলো। রানীর দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম সে ভয়ে কাপছিলো, এরকম কিছু হয়তো সে কখনো দেখে নি। আমি সবার শরীরের ম্যাজিক পাওয়ার দেখতে পারলেও ড্রাকুলার শরীর থেকে বের হওয়া ম্যাজিক পাওয়ার দেখতে পারছি না। এতে করে বোঝার ক্ষমতা নেই সে কতটা শক্তিশালী। যাইহোক আমি কি করবো আপাতোতো বুঝতে পারছি না। লুকের অবস্থা সেরকম ভালো না। যদিও আমার ইন্জুরিও অনেক। তারপরও আমার ক্ষত হিল হচ্ছে। আর হ্যারি, লুসি এবং লুসানাও আমার কাছে এসেছে। লুসি এবং লুসানা দুজনে আমার পায়ের ক্ষত হিল করে দিচ্ছে। কোনো এন্জেল কোনো কথা বলছে না। হয়তো তারা ভাবছে একজন লোক কিভাবে রানী আদেশ ছাড়া এখানে আসতে পারে। অবশ্য এটা আমারও প্রশ্ন। তবে আপাতোতো প্রশ্ন রেখে লাভ নেই মাথায়। আমরা চারজন একসাথে দাড়িয়ে ছিলাম। রানী আফরিয়েল যেখানে বসে ছিলো সেখানেই কাপছিলো। আমি তার দিকে তাকিয়ে আছি। হঠাৎ তার নজর আমার দিকে পরলো। এবং সাথে সাথে সে আমাকে সহ হ্যারি, লুসি এবং লুসানাকে টেলিপোর্ট করে দিলো সোজা ইগড্রোলিয়াতে।
।।।
।।।
হঠাৎ করে ইগড্রোলিয়াতে আসবো সেটা ভাবতে পারি নি। তারপর আমার ইচ্ছা ছিলো এ্যারসাক থেকে বের হওয়া। কতগুলো এন্জেলদের মধ্যে থাকা অনেকটা অস্বস্তি লাগে।
.
–জ্যাক যে লোকটা এসে প্রিন্সেস এলিনাকে নিয়ে গেলো, সে কে ছিলো?(হ্যারি)
.
–তার নাম ড্রাকুলা।(আমি)
.
–তার ম্যাজিক পাওয়ার অনুভব করতে পারি নি আমরা। সে কি সেটাও বুঝতে পারি নি।(লুসি)
.
–সে একজন ভ্যাম্পায়ার।(আমি)
.
–ভ্যাম্পায়ার?(লুসানা)
.
–হ্যা। অনেকটা বলা যায় সে ভ্যাম্পায়ার গড।(আমি)
.
–তার কোনো ম্যাজিক পাওয়ারই অনুভব করতে পারি নি আমি। কিন্তু তার একটা কথাতেই আমাদের সবাইকে হাটু গেথে বসতে হয়েছে।(হ্যারি)
.
–চারিদিকের গ্রাভিটি চেন্জ হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু এতো শক্তিশালী গ্রাভিটি কেউ নিয়ন্ত্রন করতে পারে সেটা আমার আগে জানা ছিলো না।(লুসি)
.
–তোমার সাথে যেভাবে কথা হলো তাতে বুঝতে পারলাম সে তোমাকে চিনে?(হ্যারি)
.
–হ্যা সেটা অনেক প্যাচালো বিষয় তোমাদের বললেও বুঝতে পারবে না।(আমি)
.
–আচ্ছা থাক তাহলে, কিন্তু এখন প্রিন্সেস এলিনার ব্যাপারে কি করব আমরা? ড্রাকুলা যে তাকে নিয়ে গেলো?(লুসানা)
.
–দেখা যাক রাজা কি বলে সেটার ব্যাপারে।(আমি)
।।।
।।।
আমাদেরকে রানি সোজা ইগড্রোলিয়ার ক্যাপিটালে টেলিপোর্ট করেছে। এখান থেকে আমাদের প্যালেসে যেতে সময় লাগবে না। হ্যারি, লুসি এবং লুসানা প্যালেসের বাইরেই রইলো। আর আমি ভিতরে ঢুকলাম। রাজার কাছে পৌছালাম আমি এবং প্রিন্সেস এলিনার সাথে কি হয়েছে সেটা আমি জানালাম।
.
–কে এই ড্রাকুলা? যে আমার প্রিন্সেস এলিনাকে কিডন্যাপ করার সাহস করলো?(রাজা)
.
–মাই কিং সে একজন ভ্যাম্পায়ার। এবং উচ্চ লেভেলের একজন। সে তার মুখের কমান্ড দিয়ে যে কাউকে যেকোনো জিনিস করাতে বাধ্য করতে পারে। অবশ্য তার ব্যাপারে আমি এইটুকুই জানি।(আমি কিছুটা ফাপর মারলাম)
.
–এটাকে স্বাভাবিক ভাবে দেখা যাবে না। প্রথমে এ্যারসাক, আরসাক এখন আবার ড্রাকুলা। আমি বুঝতে পারছি না এরা হঠাৎ করে কেনো আসছে?(রাজা)
।।।
।।।
সভা কিছুক্ষন চুপ রইলো। এখানে প্যালেসের সকল লোকজন জড়ো হয়েছে। কিছুক্ষন চুপ থাকার পরে রাজা বলতে শুরু করলো।
.
–জেনারেল জ্যাসন, আমি চাচ্ছি আমাদের সকল শক্তিশালী মিলিটারি সেনাকে পাঠিয়ে দিন প্রিন্সেস এলিনাকে খুজে ফিরিয়ে আনতে।(রাজা)
.
–জ্বী মাই কিং।(জেনারেল)
।।।
।।।
সাথে সাথে জেনারেল তার সেনার শক্তিশালী সেনার একটা গ্রুপ বানিয়ে দিলো। এবং তাদের পাঠিয়ে দিলো প্রিন্সেসকে খোজার জন্য।
.
–এখন জ্যাকসন, তুমি প্রিন্সেস এলিনার রয়েল গার্ড হওয়ার পরও তাকে সুরক্ষা করতে পারো নি। বরং তাকে শত্রু পক্ষের হাতে তুলে দিয়ে চলে এসেছো। এটার জন্য তোমাকে শাস্তি পেতে হবে।(রাজা)
.
–কিন্তু মাই কিং, আমরা এ্যারসাকের রানীর বিরুদ্ধে লড়তে ছিলাম এমন সময় ড্রাকুলা এসে প্রিন্সেসকে নিয়ে যায়।(আমি)
.
–কোনো কথা শুনতে চাই না। জ্যাক তুমি আমার মেয়েকে সুরক্ষা করতে পারো নি, এজন্য তাকে না পাওয়া পর্যন্ত তুমি রয়েল প্রিজনের মধ্যে আটক থাকবে। প্রিন্সেসকে ফিরিয়ে আনার পর তোমার বিচার হবে।(রাজা)
.
–কিন্তু মাই কিং।(আমি)
.
–কোনো কথা নয়। রাজা যেটা বলেছেন সেটাই মানতে হবে।(জেনারেল)
।।।
।।।
জেনারেল আমাকে সোজা টেলিপোর্ট করে নিয়ে আসলো প্রিজনে। সেখান থেকে আমার থেকে আমার দুটো অস্ত্র নিয়ে প্রিজনের একটা রুমে রেখে দিলো। দুটো একটা ভিরুদা আর একটা ভ্যালি। আমাকে একটা সেল এর মধ্যে আটক করে রেখে দিলো। আমি এটা চিন্তা করি নি। এরকম হলে আমি এখানে কখনো আসতাম না। তারপরও কিছু করার মতো দেখছি না আমি আপাতোতো। আগের লড়াইয়ে আমি অনেক ক্লান্ত। ঘুম পাচ্ছে অনেক। তাই চোখ বন্ধ করে ঘুমিয়ে পরলাম সেল এর মধ্যে থাকা বিছানায়। অনেকটা জেলখানার মতো জায়গা এটা। রয়েল প্রিজনে শুধু রাজার বংশের মধ্যে যারা রাজার আইন অমান্য করে তাদেরকে রাখা হয় এখানে। এক হিসাবে আমার মধ্যেও রাজার বংশের রক্ত বইছে, যদিও আমি এটা কখনো চাই নি। তাই আমাকেও রয়েল প্রিজনে আনা হয়েছে। রয়েল প্রিজন সাধারন প্রিজন থেকে অনেক আলাদা। এখানে আমার সময় কাটানোর মতো সব কিছু পাবো। আপাতোতো আমি আমার সময় নষ্ট না করে ঘুমিয়ে পরলাম।
।।।
।।।
রয়েল প্রিজনের সেল গুলো এক একটা প্যালেসের রুমের মতো। ভিতরে দামী দামী বিছানা, শোয়ার জিনিস এবং ভালো খাদ্য পাওয়া যায় এখানে। যদিও এর একটাতে ও আমার সময় কাটবে না। আমি ঘুম থেকে কখন উঠলাম সেটা জানি না। তবে উঠার পর আর এখানে থাকতে মন চাচ্ছে না। নিজের কাছে আসামী আসামী ফিল হচ্ছে। আমি কিছুই করি নি এর জন্য আমাকে জেল খাটতে হবে এটা কোনে কথা? কিছু করলে কি হতো সেটা বুঝতে পারছি না। যাইহোক আমি প্রথমে ভাবলাম এক্সোনিয়া তো নেই নি আমার থেকে। আর এক্সেনিয়া সব সময় অদৃশ্যই থাকে, তাই সেটা দিয়ে দেওয়াল ভেঙে আমি বের হয়ে যাবো এখান থেকে। কিন্তু পরক্ষনে ভাবলাম সেটা করলে রাজ্যের সবচেয়ে বড় আসামীর খাতায় আমার নাম হয়ে যাবে। সব কিছু ভাবতে ভাবতে আমি ডান পাশে একটা টেবিল দেখতে পেলাম যেটার পাশে একটা বুক সেল্ফ রয়েছে। সেখানে অনেক বই রয়েছে। বই দেখলে আমি ঠিক থাকতে পারি না। পড়ার উত্তেজনা দেখা দিতে থাকে আমার মাঝে। যাইহোক আমি সকল উত্তেজনা মাথায় নিয়ে টেবিলে বসে এক এক করে বই পড়তে শুরু করলাম। এখানে ক্ষুদায় যাতে না মারা যায় তার জন্য ভিআইপি খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তাই সমস্যা নাই আমার। আমি এক এক করে বইগুলো পড়তে লাগলাম। বুক সেল্ফে বইয়ের সংখ্যা অনেক, এবং তাদের সাইজও বিশাল। একবার করে পড়তেও আমার অনেক সময় লাগছে। যদিও আমি অনেক তারাতারি বই শেষ করতে পারি অন্য কারো তুলনায়। তারপরও আমি আজকে আস্তে আস্তে পড়ছি। পুরো দুইদিন সময় চলে গেলো আমার এভাবেই প্রিজনের মধ্যে।
।।।
।।।
এরমধ্যে আমি বইগুলোও শেষ করেছি পড়া। এখন আর কিছু করার নাই এখানে। তাই আর এটার মধ্যে থাকতে ভালো লাগছে না। আমি কোনো টেলিপোর্ট স্পেল জানি না। জানলেও কোনো কাজে দিবে না। এই পুরো প্রিজন রুমের মধ্যে একটা ব্যারিয়ার রয়েছে, যেটা আমাকে এবং অন্য কাউকে এখানে টেলিপোর্ট হতে দিবে না। কিছুক্ষন বসে ভাবছিলাম কি করবো। হঠাৎ আমার পাশের দেওয়াল ভেঙে গেলো। আমি কিছুটা শিহরিত হলাম প্রথমে। কিন্তু থরের মিওনির দেখতে পেয়ে আমি বুঝতে পারলাম এটা থরের কাজ। থরের ভাঙা দরজা দিয়ে হাটতে হাটতে আমার কাছে চলে আসলো। তার হাতে আমার ব্যাগ এবং তাতে থাকা আমার দুটো তলোয়ার ও রয়েছে।
.
–তো জ্যাক তুমি এখানে। আমি তো তোমাকে খোজার জন্য এই জায়গার সব কয়টা রুমই ভেঙে দিয়েছি।(থর)
.
–এটা কি করেছেন?(আমি)
.
–কেনো?(থর)
.
–এখন পুরো মিলিটারি সেনা এখানে চলে আসবে।(আমি)
.
–সেটার চিন্তা করতে হবে না। নাও আসার সময় এগুলো দেখতে পেয়ে মনে পরলো এগুলো তো তোমার কাছেই ছিলো।(থর)
.
–হ্যা ধন্যবাদ এগুলো দেওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি এসেছেন কেনো এখানে?(আমি)
.
–অবশ্যই তোমাকে খোজার জন্য।(থর)
.
–আমাকে কেনো?(আমি)
.
–ড্রাকুলার জন্য।(থর)
.
–কেনো ড্রাকুলা কি কোনো খারাপ চিন্তা করছে?(আমি)
.
–না বরং ওর চিন্তা ভাবনা একদম পারফেক্ট। আমি ওর কাজের জন্যই তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি।(থর)
.
–আপনি গড অফ থান্ঠার হয়ে ড্রাকুলার কথা শুনছেন?(আমি)
.
–কিছু করার নাই এই সব একটা গেমের মধ্যে হয়, যেখানে আমি হেরে যায়। আমার শর্ত ছিলো ওর প্যালেসের নাম হবে এজগার্ড। হেরে যাওয়ার পর ও আমাকে শর্ত দেই যে তোমাকে নিয়ে যেতে।(থর)
.
–আমাকে কেনো?(আমি)
.
–ড্রাকুলার কাছে একটা ক্ষমতা রয়েছে, যেটার নাম এবসুলেট কমান্ড। যেটা দিয়ে সে যাকে ইচ্ছা কমান্ড করতে পারবে। আর ড্রাকুলা যে কমান্ড দিবে সেটা শুনতে বাধ্য থাকতে হবে। অবশ্য এটা মানুষের উপরে কাজ করতো আগের দুনিয়ার পৃথিবীতে। কিন্তু এখন এই দুনিয়াতে সেটা সবার উপরেই কাজ করে। কিন্তু শর্ত ড্রাকুলাকে একবার রক্ত খেতে হবে যাকে সে কমান্ড করবে তার। প্রিন্সেস এলিনাকে সে নিয়ে এসেছিলো তার প্যালেস এর রানী করার জন্য। কিন্তু প্রিন্সেস কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। ড্রাকুলা এখানে যাদের উপরে তার নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা ব্যবহার করেছে সবার উপরেই কাজ করেছে, কিন্তু প্রিন্সেস এলিনাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না সে। এজন্য তোমাকে সেখানে প্রয়োজন।(থর)
.
–একজনকে নিয়ন্ত্রন করা এটা কি খারাপ বিষয়? ড্রাকুলা তো এখানে যুদ্ধ ছড়াতে চাচ্ছে।(আমি)
.
–আমি ওর প্লান সঠিক করে তুলনা করতে পারবো না। সেটার জন্য তোমাকেই কথা বলতে হবে ওর সাথে।(থর)
.
–আচ্ছা ঠিক আছে, আমাকে ওর কাছে নিয়ে যান।(আমি)
।।।
।।।
ড্রাকুলা প্রিন্সেস এলিনাকে কন্ট্রোল করে কি করতে চাচ্ছে বুঝতে পারছি না। সে নিজেই এতো শক্তিশালী, সে নিজেই রাজা হয়ে একটা রাজ্য চালনা করতে পারবে। কিন্তু সে এটার জন্য প্রিন্সেস এলিনাকে চুজ করলো কেনো? আর কি করতে চাচ্ছে সে সেটাও বুঝতে পারছি না। সব কিছু হয়তো তার সাথে কথা বলার পরই জানতে পারবো। আমি থরের বাম হাত ধরলাম। থর তার ডান হাত দিয়ে মিওনিরকে ধরলো এবং মিওনির তাকে উড়িয়ে নিতে লাগলো। অনেক স্পিডে আমরা উড়ে যাচ্ছি। ঠিক আলোর স্পিড মনে হবে। নিচের কিছুই আমি সঠিক করে ফোকাস করে দেখতে পাচ্ছি না। আপাতোতো আমার যাত্রা ড্রাকুলার প্যালেসে
।।।।
।।।
।।

(((চলবে)))

।।
।।।
।।।।
অপেক্ষা করুন পরের পার্টের জন্য। কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here