পারমিতা” পর্ব-১৪

0
1845

#পারমিতা
পর্ব ১৪
_নীলাভ্র জহির

অনেক চিন্তাভাবনা করে পারমিতা সিদ্ধান্ত নিলো সে একাই সাভারে যাবে। রোদকে সঙ্গে যেতে বলার কোনো প্রয়োজন নেই। মনটাকে এসব ছোটখাটো ব্যাপারে কন্ট্রোল করা শিখতে হবে তাকে। নয়তো দুনিয়াতে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

আজকের কাজে অনেক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো, অনেক ঝামেলাও পোহাতে হয়েছে। আর সবচেয়ে বেশী বিরক্তিকর ছিল জ্যামে তিন ঘন্টা আটকে থাকা। সব ঝক্কি ঝামেলার মধ্য দিয়ে কাজ শেষ করে পারমিতা অফিসে ফিরল বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। মাহতাব স্যারকে রিপোর্ট জমা দিয়েও বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। ভীষণ মাথা ধরেছে ওর।

বাসায় এসে দেখল রাকিব এসেছে। পারমিতার সঙ্গে কথা বলতে এসেছে ছেলেটা। পারমিতা হাসিমুখে বলল, আমি দুই মিনিটের মধ্যেই আসছি। জামাকাপড় বদলে মাথাব্যথা নিয়েই রাকিবের সামনে এসে বসলো পারমিতা। রাকিব বলল, আপু আমাদের বাড়ি থেকে সামান্তাকে দেখতে যাবে। আব্বু বলছিল আগামী শুক্রবার যেতে। সেদিন উনি ফ্রি থাকবেন আর..

পারমিতা বলল, আরে এ তো ভালো খবর। এমন শুকনো মুখ করে রেখেছেন কেন?
– সরি আপু। আসলে সামান্তাকে বাড়ি যেতে হবে তো। আমি বলছিলাম আপনার যদি আপত্তি না থাকে, ওকে বৃহস্পতিবার বাসায় পাঠিয়ে দিতে হবে।
– আমার আপত্তি থাকবে কেন? ভাইরে, আমাকে তোমরা চিনতে পারো নি। সামান্তার বিয়েতে তোমার চাইতে আমি বেশি খুশি হয়েছি। তুমি করে বললাম, রাগ করলে?
– না আপু। আমরা ভাইবোনের মতোই।
– সামান্তা সবকিছু গুছিয়ে নিক। ওর যেদিন ইচ্ছে চলে যাবে। শুক্রবার স্পেশাল দিন। দুদিন আগেই যাওয়া উচিৎ ওর।
– না, দুদিন আগে যেতে হবেনা। আগের দিন গেলেই হবে। প্রস্তুতি এর মধ্যেই নেয়া যাবে।
– আচ্ছা। আমি একটা মেয়ে দেখেছি, কথাও বলেছি। ও হয়তো চলে আসবে। আমি তাহলে ওকে বুধবার চলে আসতে বলি।

অনেক্ষণ পর রাকিবের মুখে হাসি ফুটে উঠলো। এরকম কিছু শোনার অপেক্ষাই করছিল রাকিব। আসলে সেও পারমিতা ও প্রীতুলকে ভালবাসে, তাই তাদের জন্য দুশ্চিন্তা হচ্ছে। কিন্তু বিয়েশাদির ব্যাপার, সামান্তাকে বাড়িতে যেতেই তো হবে। এই কথাটা সামান্তা কিভাবে পারমিতাকে বলবে, সে কারণে রাকিব এসেছে কথা বলতে।

পারমিতা বলল, চা খেয়েছো? তোমরা বসে কথা বলো। আমি চা করে আনি।
সামান্তা বলল, তুই বস। অফিস থেকে ফিরলি মাত্র। আমিই চা আনছি।

সামান্তা চা বানাতে চলে গেল। পারমিতা রাকিবকে বলল, সামান্তাকে আমি অনেক ভালবাসি রাকিব ভাই। ওকে কষ্ট দেবেন না। ও খুবই লক্ষী একটা মেয়ে।
– তা তো জানিই আমি। আমিও আপনার বান্ধবীর অনেক খেয়াল রাখবো, আপনি টেনশন করবেন না। আমার তো চিন্তা হয় প্রীতুলকে নিয়ে।

পারমিতা সৌজন্যতাসূচক হাসলো। ওর মাথাব্যথা একটুও কমেনি। হাসিমুখে বসে থাকতেই ইচ্ছে করছে না। এখন একটা ফ্রেশ ঘুম দরকার ছিল ওর।
রাকিব বলল, আপু আপনাকে কিন্তু বিয়ের সময় ছুটি নিতে হবে। কমপক্ষে এক সপ্তাহ ছুটি তো নিতেই হবে। আপনি এক সপ্তাহ ধরে সামান্তার সঙ্গে থাকবেন। ওর কেয়ার করবেন। যেন আমি বিয়ের দিন বউটাকে আরও সুন্দরী দেখতে পাই। হা হা হা। মজা করলাম।
– হা হা। ওকে ওকে। আমার তো অফিসে একটা প্রজেক্ট চলছে। কাজটা এর আগে শেষ হবে কিনা বলতে পারছি না।
– ওহ আচ্ছা। তারপরও আপনি অফিসে কথা বলে দেখবেন প্লিজ।
– আমি কথা বলে রাখবো। কবে নাগাদ বিয়ের ডেট হতে পারে?
– এই শুক্রবার দেখতে গেলে আগামী শুক্রবার বিয়ের তারিখ ফেলতে পারে।
– ওমা! এত তারাতাড়ি!
রাকিব লজ্জা পেয়ে বলল, আমার সামনে একটা ছুটি আছে অফিসে। তিনদিনের ছুটি। বিয়ের জন্য ওর সঙ্গেই ছুটি বাড়িয়ে নিলে ভালো হবে। কোথাও কয়েকদিন ঘুরে আসতে পারবো।
– বাহ! হানিমুন?

হেসে উঠল পারমিতা। রাকিব আবারও লজ্জা পেলো।
পারমিতা বলল, খুব ভালো হবে। তবে তাই করো। তারাতাড়ি সব আয়োজন করে ফেলো। মাই গড, তাহলে তো আমাকে এই শনিবার থেকেই ছুটি নিতে হবে মনে হচ্ছে।

হাসতে লাগল পারমিতা। যদিও এটা কখনোই সম্ভব নয়। কারণ হাতে এখন অনেক কাজ, অনেক প্রেশার। এত চাপের মধ্যে বড়জোর একদিন ছুটি নেয়া সম্ভব, সেটা বৃহস্পতিবার। বিয়ের আগের দিন।
রাকিব বলল, আপু আপনি আপনার যথাসম্ভব চেষ্টা করুন।
সামান্তা চা নিয়ে প্রবেশ করল। বলল, কি নিয়ে কথা হচ্ছে? কিসের চেষ্টা?
রাকিব উত্তর দিলো, ছুটির। আপুকে এক সপ্তাহ ধরে তোমার বাসায় থাকার ছুটি।
– তা তো অবশ্যই। ছুটি নিয়ে কোনো চিন্তাই নেই। ও এক সপ্তাহ কেন, এক মাসও ছুটি নিতে পারবে।
– তাই নাকি! কিভাবে?
রাকিব অবাক হয়ে জানতে চাইলো। মুখ টিপে হাসল সামান্তা। পারমিতা সামান্তার দুষ্টুমি বুঝতে পেরে বলল, তুইও না।
সামান্তা বলল, আচ্ছা রোদ সাহেবকে বিয়েতে দাওয়াত দিতে হবে। ওনার জন্মদিনে আমরা গেলাম। আর ওনাকে দাওয়াত দেবো না? কার্ড দিবো, তুই ওনাকে দিয়ে আসিস।
– তুই আয় না আমার অফিসে একদিন। নিজে দিয়ে আসবি।
– অবশ্য এক সপ্তাহ সময় হাতে থাকলে বিয়েতে কার্ড ছাপানো হবে কিনা আমি শিওর না। আমাদের ইচ্ছে ঘরোয়া ভাবে বিয়ে সম্পন্ন করার। কাছের আত্মীয় স্বজনরা সবাই আসবে, মুখেই দাওয়াত দেয়া যাবে। বিয়ে বাসাতেই হবে। কি বলো?

রাকিবকে প্রশ্ন করল সামান্তা। রাকিব তাতে সম্মতি দিলো। সেও সেটাই চায়। ঘরোয়াভাবে বিয়ের আয়োজনেই বেশি আনন্দ। ওদের লাজুক মুখ আর আসন্ন নতুন জীবনের স্বপ্নে বিভোর হওয়ার এই সময়টা দেখে পারমিতার একদিকে যেমন আনন্দ হল, তেমনি অন্যদিকে কষ্টে বুকটা ফেটে যেতে লাগল। ও বুঝতে পারছে না এটা কিসের কষ্ট। যে কষ্টের সঙ্গে এক ধরনের হিংসা মিশে আছে। তার জীবন থেকে এমন মুহুর্ত হারিয়ে গেছে বলে?

তার জীবনেও এমন মুহুর্ত এসেছিল। রাসিফ ও তার বিয়ের সেই আনন্দঘন মুহুর্ত। বিয়ের আগের রাত গুলোতে কি যে ছটফটানি, কি যে অস্থিরতা। রাসিফ বারবার ফোন দিতো, বারবার মেসেজ দিতো। যেন একমুহুর্ত তর সইছে না তার। সেই মুহুর্তের সাথে কোনোকিছুর তুলনা হয় না।

অন্যমনস্ক হয়ে চা শেষ করল পারমিতা। তারপর বলল, আমি ঘরে যাই। তোমরা কথা বলো।
পারমিতা নিজের ঘরে চলে এলো। ওর তীব্র অশান্তি হচ্ছে। চা খেয়েও মাথাব্যথা দূর হলো না। ঘরে আসার পর মনে হলো মোবাইলটা সামান্তার ঘরেই ফেলে এসেছে। মোবাইল নিতে আসার সময় দরজার কাছাকাছি আসতেই শুনতে পেলো সামান্তার গলা, উহু ছাড়ো না। দুদিন পর বিয়ে। এখন আর এসব না। সব বিয়ের পর।
রাকিব বলল, এই একটা কথা প্রত্যেকদিন শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। বিয়ের পর, বিয়ের পর। বিয়েটা শুধু হতে দাও লক্ষিটি, তারপর সবকিছুর শোধ নিবো।
– তাই? ভয় পাইয়ে দিচ্ছো নাকি? আমিও দেখবো এত রোমান্টিকতা তখন কই যায়।
– সব থাকবে। রোমান্টিকতার কিছুই তো দেখো নি পাখি। সব জমিয়ে রেখেছি। আমার চেয়ে রোমান্টিক হাজবেন্ড জিন্দেগীতে পাবে না।
– পেতেও চাই না। তুমিই আমার সব। আমার তোমাকেই চাই।
– জড়িয়ে ধরতে দাও শুধু?
– আচ্ছা ধরো। আমারও অনেক্ষণ ধরে ইচ্ছে করছিল একটা টাইট হাগ দিই। আই লাভ ইউ রাকিব।

রাকিব বলল, আই লাভ ইউ টু সামান্তা। বাসর রাতে তোমাকে কিন্তু সারা রাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে থাকবো। বুকের ভেতর ঢুকিয়ে ফেলবো আমার পাখিটাকে।

দুজনের কথোপকথন শোনা উচিৎ হয়নি। দরজার বাইরে কয়েক মুহুর্ত দাঁড়িয়ে থেকে ওদের এত সুন্দর মুহুর্তটাকে নষ্ট করে দিতে ইচ্ছে করলো না পারমিতার। সে মোবাইল না নিয়েই নিজের ঘরে চলে এলো।
পারমিতা মন থেকে সব ধরণের আবেগ অনুভূতিকে ধূলিসাৎ করে মুছে দিয়েছে। কিন্তু আজ হঠাৎ ওর মনে চিনচিন কষ্ট হচ্ছে। পারমিতা জানে, এই মাথাব্যথা আজকে কমবে না। ঘুমও আসবে না। সারা রাত তাকে তীব্র কষ্ট দিয়েই যাবে।
প্রীতুলকে নিয়ে ঘরে বসে খেলতে লাগল পারমিতা। প্রীতুল মাকে ছড়া শোনাচ্ছে, বই পড়ছে। পারমিতা প্রীতুলের মুখের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। ছেলের জন্যই তাকে অনেকদূর যেতে হবে। অনেক কিছু সইতে হবে।
আজকে রাকিব ও সামান্তাকে মিথ্যে বলেছে পারমিতা। সে বলেছে একটা মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু সেরকম কারও সাথে কথা হয়নি ওর। রাকিব ও সামান্তাকে খুশি রাখতেই কথাটা বলতে হয়েছে ওকে। সে চায় সামান্তা যেন এই কয়েকদিন আনন্দে থাকে। আনন্দিত হয়ে বৃহস্পতিবার বাড়ি যাক। রাকিবের বাবা মা আসুক, আংটি বদল হোক, বিয়ের দিন ঠিক হোক। সব ভালোয় ভালোয় হয়ে যাক। কিন্তু মেয়ে কোথায় পাবে পারমিতা?
কপালে হাত দিয়ে শুয়ে রইল ও। প্রীতুল বলল, আম্মু আমার কথা শোনো? এই আম্মু।
– শুনছি তো বাবা।
– কই শুনছো? এদিকে তাকাও।

পারমিতার কপাল থেকে হাত সরিয়ে প্রীতুল নিজের দিকে মাকে টানতে লাগল। পারমিতা বলল, বাবা তুই তারাতাড়ি বড় হ না। তোকে রেখে যেন নিশ্চিন্তে অফিস করতে পারি।
– আমি অনেক বড় হবো। এত্ত বড়..
হাত দিয়ে দেখিয়ে দিলো প্রীতুল। পারমিতা ছেলেকে জড়িয়ে ধরে রইল। সম্বল বলতে এই ছেলেটাই আছে তার।

রাত দশটা নাগাদ সামান্তার ডাকে ঘুম ভাংল পারমিতার। ও চোখ কচলে বলল, সকাল হয়ে গেছে?
– না। রাত দশটা বাজে। তুই না খেয়ে ঘুমাইছিস। প্রীতুলকেও খাওয়াস নাই। ওঠ, খেয়ে নে।
– না রে আজ রাতে খাবো না।
– অফিস থেকে এসে খাস নাই। এখন খাবি, ওঠ।
– আচ্ছা যাচ্ছি। প্রীতুলকে ডাকিস না। ও ঘুমাক। হাবিজাবি খেয়েছে ঘুমানোর আগে।

পারমিতা হাতমুখ ধুতে ধুতে জিজ্ঞেস করল, রাকিব চলে গেছে?
– হ্যাঁ। সেই কখন গেছে। আট টার দিকে।
– ভাত খেতে বলিস নি?
– বলছি। খাবে না। বলে একেবারে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে খাবে।
– হা হা।

পারমিতা হাসতে হাসতে খেতে বসল। সামান্তা দুপুরের ও রাতের খাবার একসঙ্গে রান্না করে রাখে। সামান্তা না থাকলে রান্নাবান্না করাটাও একটা প্রেশার হয়ে যাবে পারমিতার জন্য। মাঝেমাঝে পারমিতাও রান্না করে কিন্তু বেশিরভাগ সময় সামান্তাই সব রেডি করে রাখে। মেয়েটা ওর জীবনে একটা বড় অংশ জুরে ছিল। অভিভাবক হয়ে। সে চলে যাবে ভাবলেই বুক ফেটে যাচ্ছে।

সামান্তা বলল, মেয়ের বয়স কত?
– কোন মেয়ে?
– যে মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছিস?
– পনেরো হবে।
– দেখেশুনে নিস। আবার যেন ছেলেধরা না হয়। টাকা পয়সা নিয়ে পালায় না যেন।

পারমিতা চমকে উঠল, তাইতো। আমি তো এসব ভাবিনি। তোর পরিচিত কেউ থাকলে দেখিস তো।
– আমার কোথ থেকে পরিচিত থাকবে?
– না মানে আত্মীয় স্বজন কারও যদি চেনা কেউ থাকে।
– আচ্ছা দেখবো।
– তুই বুধবারেই যা।
– না, বৃহস্পতিবার যাবো। দেখি কাল পরশু একটা ফেসিয়াল করে নিবো।
– স্পাও করিস।
– হ্যাঁ। করবো। তুই অফিসে কথা বলিস কালকে। আগেভাগে বলে রাখিস।

খাওয়া শেষ করে উঠল পারমিতা। মোবাইল নিয়ে এসে দেখল রোদের নাম্বার থেকে একবার কল এসেছে। রোদ অনেকদিন ফোন করে না ওকে। প্রয়োজন ছাড়া কথাও খুব একটা হয় না। আজ আবার কি মনে করে?
পারমিতা বিছানায় শুয়ে রোদকে কল ব্যাক করল। রিং হওয়ার আগেই আবার কল কেটে দিলো। না থাক। কল দিতেই পারে। সেটা হোক প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে। পারমিতার তো কোনো প্রয়োজন নেই। তাই পারমিতা কলও দেবে না। কোনো দরকার নেই কল দেবার।

কিছুক্ষণ ঘুমানোর পর মাথাব্যথা চলে গেছে। ফেসবুকে ঢুকল পারমিতা। নিউজফিডট স্ক্রল করতে লাগল। ওর আইডিতে তেমন কোনো বন্ধুবান্ধব নেই। পুরনো কিছু বন্ধু আছে। তাদেরই পোস্ট ও ছবি ঘুরেফিরে ওর সামনে আসে।
আজ হঠাৎ কী মনে করে পারমিতা রোদের নাম লিখে সার্চ করল। অনেকগুলো ফেসবুক আইডি চলে এলো সামনে। রোদের ছবি দেখেই চিনতে পারল ও। আইডিতে ঢুকে দেখল কোনো ফলোয়ার শো করছে না। একটা পিংক শার্ট পরা খুব সুন্দর ছবি প্রোফাইলে।
আইডিতে ঢুকে আগে ফটোজে ঢুকল পারমিতা। দু একটা ফটো দেখে বের হয়ে আবার প্রোফাইল দেখতে লাগল। দুদিন আগে করা একটা পোস্টে চোখ আটকে গেল ওর। সঙ্গে সঙ্গে বুকটা ধক করে উঠল।
রোদ লিখেছে…….

চলবে..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here