ভ্যাম্পায়ার_কুইন# #সিজন_2# পর্বঃ০৯

#ভ্যাম্পায়ার_কুইন#
#সিজন_2#
পর্বঃ০৯
.
.
লেখকঃহৃদয় বাপ্পী
.
.
আমার পুরো ডান হাত ঝুরে ড্রাগনের ছবি হয়ে গেছে। প্রথমে ছবিটা আগুনের মতো লাল থাকলেও পরে সেটা কালো হয়ে যায়। আমি তলোয়ারটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তলোয়ারটা পুরো খোপ মুক্ত লম্বা ব্লেডের৷ আমার উচ্চতা অনুযায়ী তলোয়ারটা একদম ঠিক আছে। কিন্তু এটা ব্যবহার করতে হলে আমাকে এটা নিয়ে অনেক ট্রেনিং করতে হবে। তলোয়ারটার হাতলের একদম প্রথম অংশে একটা ড্রাগনের মুখ দেওয়া আছে। আর সেটা দেখতে অনেকটা ফায়ার ড্রাগন ইগড্রাসিলের মতোই দেখতে। আমার তলোয়ারটার একটা নাম দিতে মন চাইলো। কি নাম দিবো এটা বুঝতে পারছিলাম না। ভাবতে ভাবতে কেনো জানি মনের মধ্যে ভিরুদা নামটা চলে আসলো, নামটা আজব হলেও আমার মাথার মধ্যে এই নাম ছাড়া আর কোনো নাম এখন আসছে না। তাই আমি আমার তলোয়ারের নাম দিয়ে দিলাম ভিরুদা। অবশ্য এই তলোয়ার এবং ড্রাগনের ব্যাপারটা আমাকে গোপন রাখতে হবে। কেউ যদি জানতে পারে আমি ফায়ার ড্রাগনকে মুক্ত করেছি তাহলে আমার কঠোর শাস্তি হবে। তাই আমাকে এই ব্যাপারটা পুরো গোপন রাখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো আমাকে এই তলোয়ারটাকে গোপন রাখতে হবে। সেই সাথে আমার এই হাতের ড্রাগনের ছবিটাও গোপন রাখতে হবে। আমি ড্রাগনদের সম্পর্কে বেশী কিছু জানি না। ইগড্রাসিলের সাথে কি হয়েছে আমি এটাও সঠিক বলতে পারছি না। কিন্তু আমি আশা করছি খুব শীঘ্রই আমাদের দেখা হবে। আমাকে ড্রাগনদের সম্পর্কেও সব তথ্য জানতে হবে। মোট কথা আমাকে এই তলোয়ার সম্পর্কে জানতে হবে। তলোয়ারটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এর ভিতরে গুহার মধ্যে থাকা ইগড্রাসিলের সব ম্যাজিক রয়েছে। আমি একটু ফোকাস করে তাকালে যে কোনো জিনিসেরই ম্যাজিক পাওয়ার দেখতে পারি। এটা অনেকটা পানির স্রোতের মতো দেখতে। যে জিনিসের স্রোত বেশী সেটার ম্যাজিক পাওয়ার বেশী। এখন প্রতিটা ম্যাজিক পাওয়ার আমি হলুদ রঙের দেখতে পাই। কিন্তু ড্রাগনের ম্যাজিক পাওয়ারটা ছিলো টকটকে লাল। যারফলে আমি তলোয়ারের ম্যাজিক পাওয়ার দেখেই বুঝতে পারছি এটার মধ্যে ড্রাগনের পাওয়ার রয়েছে।
।।।
।।।
সবমিলিয়ে আমার মাথায় একটা কথা আসছে না সেটা হলো আমার হাতে এই ভিরুদা নেওয়ার পর আমার হাতে ড্রাগনের ছবি আসলো কেনো? ছবিটা পুরো আমার ডান হাত জুরে খোদায় করা অবস্থায় আছে। এজন্য আমি বলতে পারছি এটা কখনো মুছে যাবে না। ঠিক এরকম ড্রাগনের ছবি আমি আরো দুইজনের শরীরের দেখেছি কিন্তু আমি মনে করতে পারছি না। হয়তো আমার স্মৃতি হারিয়ে যাওয়ার ফলে আমি ঠিক মতো মনে করতে পারছি না। কিন্তু তাদের সাথে আবার কখনো দেখা হলে আমি তাদেরকে এই ছবির সিকরেট সম্পর্কে জানতে পারবো। আমাকে আপাতোতো ভিরুদার সাথে ট্রেনিং করতে হবে। নামটা অনেক অদ্ভুদ তারপরও আমি এটা বাদে অন্য কোনো নাম ভাবতে পারি নি, দেখা যাক এটার কোনো ক্ষমতা আছে নাকি এটাও স্বাভাবিক।
।।।
।।।
আমি ভিরুদাকে নিয়ে ট্রেনিং করতে লাগলাম আগে কখনো তলোয়ার হাতে নেওয়া হয়নি মনে হয়, তাই আমার একটা কোপ দেওয়ার পর পরেরটাই তেমন জোর হয় না। এভাবে তিন চারটা দেওয়ার পর আমার শরীরে কোনো জোরই থাকলো না। আমার কাছে মনে হচ্ছিলো অনেক ভারি হয়ে গেছে ভিরুদা। একটু আগেই যাকে একদম পাতলা মনে হচ্ছিলো, হঠাৎ সেই আমার কাছে এখন ভারী মনে হচ্ছে। আমি আর সময় নষ্ট করলাম না। তলোয়ারটা নিয়ে সোজা আমার রুমের মধ্যে চলে গেলাম। আমি বুঝতে পারলাম আমার শরীরের মধ্যে যে ম্যাজিক পাওয়ার ছিলো সেটা শেষ হয়ে গেছে কয়েকটা স্লাস দিতে গিয়ে। রাত অনেক গভীর হয়ে গেছে। হ্যারি গভীর ঘুমে ব্যস্ত। আমি ভিরুদাকে একটা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে রাখলাম। তারপর আমার ডান হাতেও আমি কালো একটা কাপড় পেচিয়ে দিলাম। ব্যাপারটা আশ্চর্য দেখাবে শুধু আমার ডান হাত পেঁচিয়ে রাখলে, তাই আমি একটা ছোট চারকোনা সাদা কাপড় কেটে নিলাম। এবং সেটা দিয়ে আমার মুখ ঢাকার জন্য রাখলাম। যদি আমি এটা স্টাইলের জন্য পরি তাহলে হয়তো কেউ আশ্চর্য হবে না। আমার চোখ আর থাকতে পারলো না। আমি আমার বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। সকালে উঠলাম আমি হ্যারির ডাকে। হ্যারি আমার হাতের দিকে তাকিয়ে আছে আর আমার বিছানার পাশে রাখা তলোয়ারের দিকেও তাকিয়ে আছে।
.
–হাতে কি হয়েছে জ্যাক তোমার?(হ্যারি)
.
–ও হাতে তেমন কিছু না। কালকে রাতে এই তলোয়ার নিয়ে একটু ট্রেনিং করতে গিয়ে হালকা আঘাত পাই। পরে একটু বেন্ডেজ করেছি।(আমি)
.
–পুরো হাতে?(হ্যারি)
.
–না একটু পেচানোর পর মনে হলো এটা সুন্দর একটা স্টাইল হবে আমার জন্য। তাই পুরো হাত পেচিয়ে ফেলেছি। আর সাথে একটা মাস্কও বানিয়েছি মুক ঢাকার জন্য।(আমি)
.
–ওয়াও।।। সো কুল। আমিও পরবো তাহলে। এটা আমাদের টিমের জন্য খুব ভালো একটা পোষাক হবে।(হ্যারি)
.
–হ্যা। আমি আলাদা একটাও বানিয়ে রেখেছি তুমি চেষ্টা করে দেখো।(আমি)
.
–তুমি ডান হাত ঢেকেছো আমি বাম হাত ঢাকবো তাহলে।(হ্যারি)
।।।
।।।
হ্যারিও ওর বাম হাত পেচিয়ে ফেললো কালো কাপড় দিয়ে। মাস্ক পরার পর দুজনকে অনেকটা একরমই দেখাচ্ছে। আমাদের দেহের আকার এক রকম, শুধু দুজনের চোখ দেখে আলাদা করা যাবে এখন দুজনকে। হ্যারির চোখের মনি হালকা লালচে। আর আমারটা হালকা নীল। আমরা দুজনেই নাস্তা করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলাম। কাল রাত জেগে অনেক ক্ষুদা লেগেছে আমার। আর এমনিতেই অনেক ম্যাজিক পাওয়ার হারিয়েছি রাতে। কিছু না খেলে সেটা পূরন হবে না।
.
–তো জ্যাক আমি তো তোমার কাছে কোনো তলোয়ার দেখি নি আগে? কোথায় পেলে সেটা? হয়তো অনেক পাওয়ারফুল হবে সেটা।(হ্যারি)
.
–আসলে কাল রাতে আমি বাইরে বের হয়েছিলাম একটু। আর হাটতে হাটতে আমি সাগরের কিনারায় চলে গিয়েছিলাম। আর সেখানেই এক কিনারায় আমি তলোয়ারটা পরে থাকতে দেখি।(আমি)
.
–ওয়াও। আমিও তাহলে আজ রাতে সেই খানে যাবো তোমার সাথে। যদি আমি কোনো কিছু পেয়ে যায়।(হ্যারি)
.
–হুমমম পেয়ে যেতে পারো। আর এমনিতেই রাতের সময়টা ট্রেনিং এর জন্য অনেক ভালো সময়।(আমি)
.
–হ্যা সেটা ঠিক। আমি স্কুলে থাকার সময় সব সময় রাতেই ট্রেনিং করেছি একা একা।(হ্যারি)
.
–তুমি কি তলোয়ার চালাতে পারো? আমার অনেক সমস্যা হচ্ছে ভিরুদাকে নিয়ে।(আমি)
.
–ভিরুদা! সেটা আবার কে?(হ্যারি)
.
–ও তোমাকে তো বলা হয়নি। আমি তলোয়ারটার নাম দিয়েছি ভিরুদা।(আমি)
.
–অনেক আনকমন একটা নাম। এরকম নাম আমি কখনো শুনি নি।(হাসতে হাসতে হ্যারি বললো)
.
–হ্যা নাম দেওয়ার সময় আর কোনো নাম আমার মনে আসে নি এটা ছাড়া। আর যখন একটা নাম দিয়েছি তাই আর বদলাবো না।(আমি)
.
–আমার মনে হয় না এলেক্স এবং কহিল স্যার আমাদের তেমন কিছু শিখাবে? মিলিটারি স্কুলেও আমাদের যে অফিসার ট্রেনিং দিয়েছে সে তেমন কিছু শেখায় নি। আমাদেরকেই কষ্ট করে শিখতে হয়েছে সবকিছু। আমার মনে হচ্ছে এখানেও আমাদের সেটাই করতে হবে।(হ্যারি)
.
–আমার যতদূর ভাবনা যায় তারা তাদের ক্ষমতা আমাদেরকে দেখিয়ে উৎসাহিত করছে শক্তিশালী হওয়ার জন্য। আর আমাদের সেটাই করতে হবে, এটার জন্য যদি আমাদের নিজেদেরই একা একা কষ্ট করতে হয় তারপরও আমরা শক্তিশালী হবো।(আমি)
.
–হ্যা। ভালো কথা। তুমি তো তলোয়ার চালানো শিখবে তাই না? এলিহার কাছে সাহায্য চাইতে পারো।(হ্যারি)
.
–হ্যা এলিহা তো তলোয়ার দিয়ে লড়াই করে। আর ও তো অনেক ভালো করেই চালাতে পারে। ওকেই বলতে হবে আমাকে শিখানোর কথা।(আমি)
।।।
।।।
আমরা কথা বলতে বলতে ক্যান্টিনের মধ্যে চলে আসলাম। আমাদের দেখে এলিনা বলতে লাগলো।
.
–তোমাদের দুজনের আজ কি হয়েছে। এরকম আজব গেটআপ নিয়ে রাখছো কেনো?(এলিহা)
.
–আমাদেরকে চিনে ফেলছো? আমি তো ভাবছি এই গেটআপে চিনবে না আমাদের।(হ্যারি)
.
–মাথা লাগাও হ্যারি। আমরা আমাদের পরিচয় লুকানোর জন্য এই গেটআপ নেই নি। এতে আমাদের অনেক কুল লাগবে এজন্য। আর ওরা তো বুঝবেই। এই পুরো জায়গার মধ্যে আমরা ছয়জনই আছি যারা এক সাইজের। আর পাঁচজন আমরাই। একজন কহিল স্যার। কিন্তু তিনি অফিসার।(আমি)
.
–একটা জিনিস বলতে হবে আমাদের পাঁচজনের মধ্যে মাথা আছে জ্যাকের।(হ্যারি)
.
–তাহলে কি আমাদের মাথা নেই(হ্যারির মাথায় একটা ঠাপ্পর দিয়ে বললো এলিহা)
.
–না না আমি সেটা বলতে চাই নি। জ্যাকের সাথে প্রথম যেদিন আমার দেখা সেদিন থেকেই আমি একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি সেটা হলো জ্যাক ওর মাথার বুদ্ধির অনেক কাজ করে, যেটা আমরা করে পারি না।(হ্যারি)
.
–হ্যা এটা ঠিক। সেদিনের যুদ্ধে আমরা সিওর মারা যেতাম জ্যাকের প্লান অনুযায়ী কাজ না করলে।(লুসি)
.
–এটা বলতেছো কেনো? আমরা পাঁচজন একসাথে কাজ করেছি বলে আমরা সেদিন জীবিত ছিলাম। আমার মনে হয় আমাদের সারা জীবনই এভাবে একসাথে কাজ করা দরকার। তোমরা কি বলো।(আমি)
.
–হ্যা আমিও এটাই মনে করে। আপাতোতো আমাদের কাছে আছে এলিহার ফ্রন্ট আক্রমন, আমার ম্যাজিক স্পেল ব্যাকআপ, জ্যাকের মাস্টারমাইন্ড প্লান, এবং লুসি এবং লুসানার সাপোর্ট ম্যাজিক।(হ্যারি)
.
–আমরা আপাতোতো আমাদের নিজ নিজ দিকে শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে এবং একে অপরকে সাহায্য করতে হবে। আমরা পাঁচজন একসাথে থাকলে যেকোনো জিনিসই করতে পারবো।(আমি)
.
–অবশ্য আমার সাথে আরেকজন সামনে লড়াই করলে অনেক ভালো হতো। আমার ম্যাজিক পাওয়ার খুব তারাতারি শেষ হয়ে যায় বেশীক্ষন একসাথে লড়াই করলে।(এলিহা)
.
–সেটার জন্য জ্যাক পারফেক্ট চয়েজ হবে। জ্যাক কালকে একটা তলোয়ার পেয়েছে সাগরের কিনারায়। আর ও এখন তলোয়ার চালানো শিখতে চাই। এলিহা তুমি ওকে একটু সাহায্য করো।(হ্যারি)
.
–আমার যে ক্ষমতা রয়েছে সেটা খুবই বেকার। একদম মারাত্মক মুহুর্তে সেটা কাজ করে। আর সাধারন ম্যাজিক আমি আপাতোতো ব্যবহার করতে পারি না। তাই আমাদের টিমকে শক্তিশালী করতে হলে আমাকেও কিছু করতে হবে। আর আমি ভেবে দেখলাম এটা আমার জন্য খুব ভালো একটা পদ হবে টিমের জন্য। কিন্তু এটার জন্য আমাকে ট্রেনিং নিতে হবে তোমার কাছে এলিহা।(আমি)
.
–ওকে সমস্যা নেই। আমি তোমাকে শিখাবো তলোয়ার কিভাবে চালাতে হয়। আর আমাকে এলি ডাকতে পারো তোমরা।(এলি)
.
–এই আমাদের লেট হয়ে যাচ্ছে।(হ্যারি)
।।।
।।।
আমরা তারাতারি নাস্তা করে বের হয়ে আসলাম মাঠের উপরে। আজকে প্রবল বেগে হাওয়া বইছে বাতাসে। আর আজকে অফিসার কহিল স্যার আসেন নি। তার বদলে এলেক্স স্যার আমাদের কাছে আসলেন।
.
–আজকে অফিসার কহিলের অন্য একটা কাজ আছে এজন্য সে তোমাদের ট্রেইন করতে পারবে না। তার বদলে আমি আছি আজকে।(এলেক্স)
.
–কি করবো আজ আমরা স্যার?(হ্যারি)
.
–তোমাদের জন্য একটা মিশন রয়েছে।(এলেক্স)
.
–কি মিশন স্যার?(এলি)
.
–দুই বছর সময় দেওয়া হবে তোমাদের রয়েল ক্যাপিটালে থাকার জন্য। এই দুই বছরে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে তোমরা।(এলেক্স)
.
–মানে এটাই আমাদের মিশন? আর আমাদের কোনো মিলিটারি নিয়ম মানতে হবে না?(আমি)
.
–সেটা না। জেনারেলের আদেশ তোমাদের দুই বছর একদম সাধারন একটা জীবন দেওয়া। আর এই দু বছরে মিলিটারি কোনো প্রকার নিয়ম করবে না তোমাদের উপরে। কিন্তু রাজ্যের কোনো আইন ভাঙা যাবে না।(এলেক্স)
.
–কিন্তু স্যার আমাদের এভাবে হঠাৎ দুই বছরের জন্য ছুটি দেওয়া হবে কেনো? আমাদের তো ট্রেনিং ভালো মতো এখনো শুরুই হয় নি।(আমি)
.
–জেনারেলের সরাসরি আদেশ এটা। আমি এটার সম্পর্কে তেমন কিছু বলতে পারবো না। তবে এটা তোমাদের জন্য একটা মিশন থাকবে। দুইবছর ক্যাপিটালে বাস করতে হবে।(এলেক্স)
.
–স্যার শুধু কি আমাদের দু বছর সাধারন জীবন কাটাতে হবে? নাকি অন্য কোনো মিশনও আছে?(এলি)
.
–তোমাদের খুব কম বয়সে মিলিটারি স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকে খুব কম জানো এই দুনিয়া সম্পর্কে। হয়তো জেনারেল তোমাদের দুই বছর সময় দিয়েছে এই দুনিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ধারনা করার জন্য। আমি বলতে পারছি না কি। দুবছর তোমাদের দেওয়া হয়েছে, দুবছর নিজেদের মতো কাটাও।(এলেক্স)
.
–আমরা সবাই থাকবো কোথায় স্যার?(লুসি)
.
–তোমাদের থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমি সঠিক জানি না। কিন্তু জেনারেল বলেছেন তোমাদের থাকার ব্যবস্থা তিনি নিজেই করবেন।(এলেক্স)
.
–তাহলে আজই কি আমাদের যেতে হবে?(হ্যারি)
.
–না কালকে তোমাদের পৌছিয়ে দেওয়া হবে। তাই আজকে সারাদিন এই পুরো দ্বীপ ঘোরার জন্য ছুটি দিয়ে দিলাম আমি।(এলেক্স)
।।।।
।।।।
এটা বলেই এলেক্স স্যার টেলিপোর্ট হয়ে গেলো। আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম এরকম কোনো মিশন আমাদের আসবে আমি সেটা ভাবতে পারি নি।
.
–আমার তাদের কাজকর্ম মোটেও সুবিধার মনে হচ্ছে না। কথা ছিলো আমাদের স্পেশাল ট্রেনিং দেওয়ার, কিন্তু তার কিছুই হচ্ছে না। বরং আমাদের এখন দুবছরের ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে।(লুসানা)
।।।।।
।।।।
।।।
।।

(((চলবে)))

।।
।।।
।।।।
।।।।।
অপেক্ষা করুন পরবর্তী পার্টের জন্য। কেমন হলো জানাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here